• সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
তুরাগে ৭ লাশ’ গুজবে তোলপাড়, সহায়তা চাইল পুলিশ তীব্র গরমে গাজীপুরে রেকর্ড লোডশেডিং: অতিষ্ঠ জনজীবন, ব্যাহত শিল্পোৎপাদন তুরাগে ৭ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন: পুলিশ পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল প্রায় ১৬ কোটি টাকা ‎গাছা থানার ওসি ওয়াহিদুজ্জামানের বদলি আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি গাজীপুরে এখন মানুষ রাতে ও নিরাপদ বোধ করেনা’—ড. হাফিজুর ‎গাজীপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সক্রিয় দুই কর্মীসহ ১০ জন গ্রেপ্তার পরীক্ষাকেন্দ্রে সিসিটিভি বাধ্যতামূলক, মাঠে থাকবে বডি-ওর্ন ক্যামেরা পাটগ্রামে বউ- শাশুড়ি মেলা অনুষ্ঠিত কর্মস্থলেই নারী শ্রমিকের মৃত্যুর অভিযোগে গাজীপুরের শ্রীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ

হাসপাতাল থেকে ফিরে আবার হামে আক্রান্ত শিশুরা

ডেক্স রিপোর্ট / ৬৭ Time View
Update : শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬

ডেক্স রিপোর্ট

 

 

সারা দেশে হাম সংক্রমণ বৃদ্ধির পাশাপাশি দেখা দিয়েছে নতুন উদ্বেগ। হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার কয়েক দিন পরই শিশুরা ফের আক্রান্ত হয়ে পড়ছে এবং পুনরায় হাসপাতালে ভর্তি হতে হচ্ছে।

চিকিৎসকরা বলছেন, পূর্ণ সুস্থ হওয়ার আগেই হাসপাতাল ত্যাগ এবং পরবর্তীতে সঠিক যত্নের অভাবেই নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও পুষ্টিহীনতার মতো জটিলতা বাড়ছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের (ডিজিএইচএস) তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে ১২,৩২০ জন সম্ভাব্য হামে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম আক্রান্তের সংখ্যা ২,২৪১। এই সময়ে মোট ১৪৩ জন মারা গেছেন (সম্ভাব্য ও নিশ্চিতসহ)। একই দিন ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১,১৮৭ জন সম্ভাব্য রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের।

রাজধানীর মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে দেখা যায়, হাজারীবাগের বাসিন্দা খাদিজার সাত মাস বয়সী শিশু আরিয়ান হাসপাতালের করিডোরে একটি বেডে চিকিৎসাধীন। খাদিজা জানান, ঈদের দুই দিন আগে আরিয়ানের হাম ও নিউমোনিয়া ধরা পড়ে। তখন লক্ষণ মৃদু থাকায় তিন দিনের ওষুধ দিয়ে তাকে ছুটি দেওয়া হয়। কিন্তু বাড়ি ফেরার তিন দিন পরই তার অবস্থার অবনতি ঘটে।

ডিএনসিসি হাসপাতালে ১৭ মাস বয়সী শিশু রাফসান আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন। নরসিংদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ঢাকা মেডিক্যাল ঘুরে এখানে ভর্তি হওয়া এই শিশুটি একবার সুস্থ হয়ে বাড়ি গেলেও ফের নিউমোনিয়া ও জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে।

সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এফ এ আসমা খান বলেন, “জ্বর কমলেই রোগীকে বাড়ি পাঠানো ঠিক নয়। শিশু পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত তাকে ছাড়পত্র দেওয়া উচিত নয়।”

তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, হামের সময় শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। ফলে ফুসফুসে সংক্রমণ হয়ে নিউমোনিয়া হতে পারে। এছাড়া চোখের জটিলতা থেকে অন্ধত্ব পর্যন্ত হতে পারে। এজন্যই হামের রোগীদের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল দেওয়া জরুরি।

তিনি আরও জানান, হামের সময় মুখে ঘা হওয়ার কারণে শিশুরা খেতে পারে না, যা তাদের আরও দুর্বল করে দেয়। এই সময়ে শিশুকে মায়ের দুধের পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার যেমন—কলা, পেঁপে, গাজর, মাছ ও সবজি জাতীয় সুপ দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।


More News Of This Category
bdit.com.bd