গাজীপুর প্রতিনিধি :
নাওজোর ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কের দুই পাশে পরিবহন থেকে চোরাই তেল ক্রয়-বিক্রয়কে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে অনেক দোকান। প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে ভোররাত পর্যন্ত এসব দোকানে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন যানবাহন দাঁড়িয়ে তেল বিক্রি করে। এতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও আঙুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছেন চোরাই তেলের দোকানি এবং অসাধু চালক-হেল্পাররা। বছরের পর বছর এসব অবৈধ তেল বেচাকেনা চললেও এ নিয়ে যেন মাথাব্যথা নেই কারো। সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, নাওজোর ঢাকা-টাঙ্গাইল সড়কের দুই পাশেই কিছু দূর পর পর এ ধরনের চোরাই তেলের দোকান রয়েছে। প্রতিটি দোকানের সামনে এক-দুজন লোক বসা থাকে।দোকানের সামনেই তেলের ভাউচার, লরি বা অন্যান্য পরিবহন দাঁড়ানোর পর পাইপ দিয়ে জ্বালানি তেল ট্যাংক থেকে বের করে নেওয়া হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চোরাই তেল ব্যবসায়ী বলেন, ‘বাজারে এক লিটার তেল (মবিল) যদি ১০০ টাকায় বিক্রি হয়, তা আমরা কিনি ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। এতে আমাদের অর্ধেক লাভ থাকে। আবার চালক-হেল্পাররা কোনো বিনিয়োগ না করে শুধু তেল বিক্রি করেই হাজার হাজার টাকা আয় করে। তাতে আমরা দুই পক্ষই লাভবান।