• মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
টঙ্গীতে পুলিশের ওপর পাথর নিক্ষেপ করে হ্যান্ডক্যাপ পরা আসামি ছিনতাই ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট দ্রুত সংস্কারের দাবি প্রশাসকের কাছে দ্রুত কাজ দৃশ্যমান করার আহ্বান কাউন্সিলর পদপ্রার্থী তাজুল ইসলাম মিল্টনের কৃষি জমি ও জলাশয়ের জমিতে চলছে ‘এম্পায়ার সিটি’র রমরমা সাইনবোর্ড ব্যবসা, ক্ষুব্ধ স্থানীয় কৃষকরা হত্যার পর লাশ গুম: পিবিআইয়ের অভিযানে মা-ছেলেসহ গ্রেপ্তার ৩ গাজীপুরে ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার গাজীপুর জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত পূবাইলে ছিকলিয়া হিন্দু কল্যাণ শ্রমজীবী সমবায় সমিতি লিঃ এর নির্বাচন-২০২৬ অনুষ্ঠিত দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান ২০২৬-এর উদ্বোধন গাজীপুর বাসনে ৭ কেজি গাঁজাসহ নারী গ্রেপ্তার গাজীপুরে বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রেস্ট সনদ ও নগদ অর্থ বিতরণ

হত্যার পর লাশ গুম: পিবিআইয়ের অভিযানে মা-ছেলেসহ গ্রেপ্তার ৩

গাজীপুর প্রতিনিধি / ২৬ Time View
Update : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

গাজীপুর প্রতিনিধি:

গাজীপুরে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা ও লাশ গুমের ঘটনায় দায়ের করা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তদন্তে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে মিজানুর রহমান মিল্টন, মিশন ইসলাম ও তার মা বানু আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গত ১২ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে গাজীপুর মহানগরের সদর মেট্রো থানার বাহাদুরপুর তুলসীভিটা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে মিজানুর রহমান মিল্টনকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই দিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পৃথক একটি ভাড়া বাসা থেকে মিশন ইসলাম ও তার মা বানু আক্তারকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই।

পিবিআই জানায়, মামলাটি তদন্তে নেওয়ার পর ক্রাইম সিন বিশ্লেষণ, আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য ও বিশ্বস্ত সূত্রের সমন্বয়ে দ্রুত সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করা হয়।

গ্রেপ্তার আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মিশনের ভাড়া বাসা থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি বটি, লাশ প্যাকেজিংয়ে ব্যবহৃত স্কচটেপের অবশিষ্টাংশ, নিহত ডলি আক্তারের জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যবহৃত একটি বাটন মোবাইল ফোন এবং এক জোড়া জুতা উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া সুটকেস কেনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সিসিটিভি ফুটেজও সংগ্রহ করেছে পিবিআই।

পিবিআই গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার মো. রকিবুল আক্তার বলেন, লাশটি অজ্ঞাত ও অর্ধগলিত অবস্থায় থাকায় শুরুতে মৃতার পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন ছিল। তবে পিবিআইয়ের ক্রাইম সিন বিশ্লেষণ, আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য ও বিশ্বস্ত সূত্রের সমন্বিত ব্যবহারের মাধ্যমে দ্রুত মৃতার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তদন্তে পাওয়া আলামত, প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ, পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করে হত্যাকাণ্ডের ধারাবাহিকতা স্পষ্ট হয়েছে। অপরাধী যত কৌশলেই অপরাধ সংঘটিত করুক না কেন, পেশাদার তদন্তের মাধ্যমে তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই গাজীপুরের পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, গ্রেপ্তার তিন আসামিই আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

তিনি বলেন, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, পাশাপাশি উদ্ধার করা আলামত ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ যাচাই করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


More News Of This Category
bdit.com.bd