• শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শ্রীপুরের যুবদল নেতা আবু তাহেরের বিরুদ্ধে সংসার ভাঙা, অনৈতিক সম্পর্ক ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ গাজীপুরে ডিবি পুলিশের পরিচয়ে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ এইচএসসিতে পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা, জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে ছেলেরা গাজীপুর প্রেসক্লাবের নির্বাচন ঘিরে সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন গাজীপুরে সেপটিক ট্যাংক বিস্ফোরণে পোশাককর্মীর মৃত্যু, আহত ২ যাত্রাবাড়ীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গুলিবিদ্ধ হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু, গুলি ছুড়েছে কে—তদন্ত চলছে গাজীপুরে ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ গাজীপুরে বাসন থানা পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন মামলার ৬ আসামি গ্রেপ্তার গাজীপুরে ১৬ বোতল বিদেশি মদসহ একজন গ্রেপ্তার গাজীপুরে ১৫ পিস ইয়াবাসহ তিনজন গ্রেপ্তার, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিও আটক

মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভোগান্তি চরমে!

রাসেদুল ইসলাম,স্টাফ রিপোর্টার: / ১৮৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৫

রাসেদুল ইসলাম,স্টাফ রিপোর্টার:

 

রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনভোগান্তি চরমে। লাগামহীন হয়রানীতে নাজেহাল রোগি ও তাদের স্বজনরা। এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি সম্প্রতি ৩১ হতে ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও নিম্নমানের সেবার কারণে জনমনে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে রটেছে
“জনভোগান্তির আরেক নাম, মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। সরোজমিন গিয়ে হাসপাতালের সবখানেই যেন শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধের মারাত্মক অভাব লক্ষ্য করা যায়। এখানে অনেক সময় আয়া বা ওয়ার্ড সহায়কদের দিয়েই করানো হয় ডাক্তারের কাজ, ফলে রোগীরা যেমন সঠিক চিকিৎসা পাচ্ছেন না, তেমনি বাড়ছে ঝুঁকি ও ভুল চিকিৎসার আশঙ্কা।এছাড়া হাসপাতালে পর্যাপ্ত সেলাই সরঞ্জাম ও জরুরি চিকিৎসা উপকরণ না থাকায় ছোটখাটো অস্ত্রোপচার বা ক্ষত সেলাইয়ের মতো মৌলিক কাজও সঠিকভাবে করা সম্ভব হয় না।৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে রোগির বাড়তি চাপ, যার কারনে অনেক রোগিকে থাকতে হয় হাসপাতালের মেঝেতে। ইসিজি ২ টি থাকলে ১ নষ্ট। এক্সরে মেশিন বর্তমানে বৃবহৃত হচ্ছে না ফিল্মের অভাবে।আল্ট্রাসনোগ্রাফি থাকলেও তা ব্যবহার হয় সপ্তাহে ২দিন,বিশেষ কিছু মানুষ পায় সে সুবিধা।হাসপাতালে ভর্তি অনেক রোগী অভিযোগ করেছেন, প্রয়োজনীয় ঔষধও মেলে না হাসপাতালের ফার্মেসিতে। কি কি ওষুধ থাকে হাসপাতালে তার কোন সাইন বোর্ড নাই। বাধ্য হয়ে অনেকেই বাইরে থেকে ওষুধ কিনে আনতে বাধ্য হন, যা নিম্নআয়ের মানুষের জন্য বাড়তি কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রোগীর স্বজন নাসিমা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এখানে ডাক্তার কম, ওষুধ নাই, সেলাইয়ের সরঞ্জাম নাই—এই হাসপাতালটা যেন কাগজে-কলমেই চলছে। ”চিকিৎসা নিতে আসা জাহানাবাদ গ্রামের কামরুল বলেন, সেবার মান এতটাই খারাপ যে, এখন অনেকেই মোহনপুর হাসপাতালের নাম শুনলেই অন্যত্র যাওয়ার চেষ্টা করেন। যাবার জন্য ব্যবহৃত এ্যাম্বুলেন্সে নাই ফিটনেস যে কোন সময় রোগী সহ ঘটতে পারে দূর্ঘটনা। সচেতন মহল দাবি করছেন, অবিলম্বে হাসপাতালের অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা বন্ধ করে সেবক, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। নাহলে “জনভোগান্তির আরেক নাম মোহনপুর মেডিকেল” কথাটি আরও বাস্তব হয়ে উঠবে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: আখতার হোসেন বলেন লোকবল “অনেক কম যার কারনে আমরা রুগীদের শতভাগ সেবা দিতে পারছিনা।তবে আগের থেকে কিছুটা ভালো করেছি আরো চেষ্টা করছি।নার্সদের জোরাল ভাবে বলা হয়েছে তারা রোগির চিকিৎসা করবে। “সিভিল সার্জন ডাঃ এস আই এম রেজাউল করিম বলেন, “মোহনপুর উপজেলায় যে সমস্যা আছে তা ডিসেম্বরের মধ্যে সমাধান করা হবে,এ্যাম্বুলেন্স যেটি আছে সার্ভিসিং করতে নির্দেশ দেওয়া আছে।”


More News Of This Category
bdit.com.bd