• মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গাজীপুরে বৃষ্টিতে ভিজে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন জিয়া উদ্যানে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দেশবাসীকে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা টঙ্গীর হাজির মাজার বস্তিতে রাজউকের বড় উচ্ছেদ অভিযান পূবাইলে ২৭ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার থানার ভেতরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ নেতার পাঁচ স্বজন গ্রেপ্তার বাসন থানার বিশেষ অভিযানে ৩ আসামি গ্রেপ্তার কাশিমপুরে আসামি ধরতে গিয়ে স্বর্ণালংকার-টাকা লুটের অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে থানার কয়েক গজ দূরে পুলিশ পরিচয়ে ‘ডিউটি’, টঙ্গীতে যুবক গ্রেপ্তার

টঙ্গীর হাজির মাজার বস্তিতে রাজউকের বড় উচ্ছেদ অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক : / ৪৫ Time View
Update : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদকের ‘হটস্পট’ হিসেবে পরিচিত হাজির মাজার বস্তিতে বড় ধরনের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। অভিযানে রাজউকের নিজস্ব জমিতে গড়ে ওঠা বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে টঙ্গী বাজার এলাকায় কলকারখানা অধিদপ্তরের সংলগ্ন স্থানে এ অভিযান শুরু হয়। রাজউকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে পে-লোডার, এক্সকাভেটরসহ বিপুলসংখ্যক শ্রমিক অংশ নেন।

অভিযানের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) সদস্যরা ঘটনাস্থলে মোতায়েন ছিলেন। রাজউকের উপপরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-৩) মো. লিটন সরকারের নেতৃত্বে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। অন্যদিকে জিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. বেলায়েত হোসেনের নেতৃত্বে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য রাজউক টিমকে নিরাপত্তা ও সার্বিক সহযোগিতা দেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাজির মাজার বস্তিটি দীর্ঘদিন ধরে মাদক বিক্রির অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল। বিভিন্ন সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেখানে অভিযান পরিচালনা করলেও মাদক কারবার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি বলে স্থানীয়দের দাবি। এরই মধ্যে রাজউকের মালিকানাধীন জমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে একের পর এক অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে দীর্ঘদিন ধরে দখলে থাকা রাজউকের জমি অবমুক্ত করা হয়।

অভিযান শেষে জিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, “মাদকের অভিশাপ থেকে টঙ্গী এলাকাকে মুক্ত করতে এবং সরকারি জমি পুনরুদ্ধারে এ ধরনের অভিযান অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে।”

রাজউকের উপপরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-৩) মো. লিটন সরকার বলেন, “রাজউকের এই প্লটটি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখলদারদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। আজ প্রশাসনের সহায়তায় অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে আমরা আমাদের জমি বুঝে নিয়েছি।”

রাজউকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উচ্ছেদ করা জমিতে যাতে পুনরায় অবৈধ দখল কিংবা মাদকের কোনো স্পট গড়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়ে ভবিষ্যতে কঠোর নজরদারি রাখা হবে।

স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিনের মাদক কারবার ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের ফলে এলাকাটির পরিবেশ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে তারা আশা করছেন।


More News Of This Category
bdit.com.bd