• বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পূর্ব শত্রুতার জেরে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা দক্ষিণ সানলায় এবিসি চক্ষু হাসপাতালে চরম ভোগান্তি: হয়রানির শিকার রোগীরা পুলিশের ‘সোর্স’ পরিচয়ে ত্রাস: বাসন থানায় বগা রিপনের অপকর্মের শেষ কোথায়? ‎৬৫ কোটি টাকার ঋণের প্রলোভনে প্রতারণা: আন্তঃজেলা চক্রের সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার ‎পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণা, গাজীপুরে চোরাই মোটরসাইকেল চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার-১ বৃহস্পতিবার শুরু এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, সব বোর্ডে একই প্রশ্নপত্র ৪০ বছর পর নকআউটে জয়, শেষ ষোলোতে মেক্সিকো আগামীকাল থেকে বাধ্যতামূলক হচ্ছে বাংলা কিউআর কুচক্রী মহলের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ: মোশাররফ হোসেনের পাশে দাঁড়ালেন ইসমাইল হোসেন রনি শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার নিষেধ, গণমাধ্যমকে নির্দেশনা মানতে হবে

দক্ষিণ সানলায় এবিসি চক্ষু হাসপাতালে চরম ভোগান্তি: হয়রানির শিকার রোগীরা

মোঃ সাজজাকুল ইসলাম রাজ্জাক / ১৮ Time View
Update : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬

মোঃ সাজজাকুল ইসলাম রাজ্জাক

 

​দক্ষিণ সানলায় অবস্থিত এবিসি চক্ষু হাসপাতালে সেবা নিতে আসা রোগীদের ভোগান্তি যেন নিত্যদিনের চিত্র। হাসপাতালটির জটিল প্রশাসনিক প্রক্রিয়া এবং সমন্বয়হীনতার কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও সেবা না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন ভুক্তভোগী রোগী ও তাদের স্বজনরা।
​ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, হাসপাতালে প্রবেশের পর থেকেই শুরু হয় এক রুম থেকে অন্য রুমে ছোটাছুটি। রিসিপশন থেকে স্লিপ নেওয়া, এরপর ডাক্তারের জন্য অপেক্ষা, আবার ল্যাব টেস্টের জন্য অন্য ভবন বা ফ্লোরে দৌড়াদৌড়ি—এভাবেই কেটে যায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। বয়স্ক রোগী ও শিশুদের নিয়ে আসা অভিভাবকরা এই অব্যবস্থাপনায় হাঁপিয়ে উঠছেন। হাসপাতালে সেবা নিতে আসা মো. আব্দুল করিম বলেন, “সকাল ৮টায় এসেছি, অথচ এখন দুপুর ১২টা বাজে। এখনো ডাক্তারের দেখা পাইনি। একবার বলছে এই রুমে যান, তো আরেকবার বলছে ওই রুমে। সেবা নিতে এসে বরং উল্টো অসুস্থ হয়ে পড়ছি।”
​আরেক ভুক্তভোগী গৃহিণী সালমা বেগম জানান, “হাসপাতালের সিস্টেমটি অত্যন্ত জটিল। একেক কাজের জন্য একেক জায়গায় যেতে হচ্ছে। একজন বৃদ্ধ মানুষ একা একা এতদূর হাঁটাহাঁটি করবেন কীভাবে? এখানে রোগীদের আরাম তো দূরের কথা, ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড় করিয়ে রেখে তাদের কষ্ট দেওয়া হচ্ছে।” সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালটিতে পর্যাপ্ত জনবল থাকলেও কাজের সঠিক সমন্বয় নেই। ডিজিটাল পদ্ধতির কথা বলা হলেও অধিকাংশ কার্যক্রম এখনো ম্যানুয়ালি সম্পন্ন করতে হচ্ছে। রোগীদের সিরিয়াল দেওয়ার ক্ষেত্রেও সঠিক ব্যবস্থাপনা নেই, যার ফলে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে সবাইকে।
এ বিষয়ে হাসপাতালের দায়িত্বরত একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “রোগীর চাপ বেশি থাকায় মাঝে মাঝে একটু দেরি হয়ে যায়। তবে আমরা চেষ্টা করছি বিষয়টি সুশৃঙ্খল করতে।” তবে সমস্যার স্থায়ী সমাধানে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি। স্থানীয় ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত জনবল বাড়ানো এবং সেবার মান উন্নত করার জোর দাবি জানিয়েছেন। রোগীদের কষ্ট লাঘবে এবং প্রশাসনিক জটিলতা নিরসনে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয়রা


More News Of This Category
bdit.com.bd