• শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আওয়ামী দোসরদের গ্রেপ্তারে পুলিশকে পুরস্কৃত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাসনে বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলায় ১০ আসামি গ্রেপ্তার ধানমণ্ডিতে পরপর দুই ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৩ কোনাবাড়ীতে ডেঙ্গুতে গৃহবধূর মৃত্যু, দুই বছরের সন্তান রেখে গেলেন মা পূবাইলে ফাতিমা রাণী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হীরক জয়ন্তী-২০২৬ উদযাপন কাশিমপুরে ঝালমুড়ি বিক্রেতার ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, আহত ২ গাজীপুরে ট্রাক-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ৩ পরিকল্পিত সন্ত্রাসের প্রতিবাদে বাসনে বিএনপির সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল গাজীপুরে রেললাইনের পাশ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার ​​টাকার বিনিময়ে জরিপ করিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় অপপ্রচারের শিকার জমির মালিক

দক্ষিণ সানলায় এবিসি চক্ষু হাসপাতালে চরম ভোগান্তি: হয়রানির শিকার রোগীরা

মোঃ সাজজাকুল ইসলাম রাজ্জাক / ৭৮ Time View
Update : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬

মোঃ সাজজাকুল ইসলাম রাজ্জাক

 

​দক্ষিণ সানলায় অবস্থিত এবিসি চক্ষু হাসপাতালে সেবা নিতে আসা রোগীদের ভোগান্তি যেন নিত্যদিনের চিত্র। হাসপাতালটির জটিল প্রশাসনিক প্রক্রিয়া এবং সমন্বয়হীনতার কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও সেবা না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন ভুক্তভোগী রোগী ও তাদের স্বজনরা।
​ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, হাসপাতালে প্রবেশের পর থেকেই শুরু হয় এক রুম থেকে অন্য রুমে ছোটাছুটি। রিসিপশন থেকে স্লিপ নেওয়া, এরপর ডাক্তারের জন্য অপেক্ষা, আবার ল্যাব টেস্টের জন্য অন্য ভবন বা ফ্লোরে দৌড়াদৌড়ি—এভাবেই কেটে যায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। বয়স্ক রোগী ও শিশুদের নিয়ে আসা অভিভাবকরা এই অব্যবস্থাপনায় হাঁপিয়ে উঠছেন। হাসপাতালে সেবা নিতে আসা মো. আব্দুল করিম বলেন, “সকাল ৮টায় এসেছি, অথচ এখন দুপুর ১২টা বাজে। এখনো ডাক্তারের দেখা পাইনি। একবার বলছে এই রুমে যান, তো আরেকবার বলছে ওই রুমে। সেবা নিতে এসে বরং উল্টো অসুস্থ হয়ে পড়ছি।”
​আরেক ভুক্তভোগী গৃহিণী সালমা বেগম জানান, “হাসপাতালের সিস্টেমটি অত্যন্ত জটিল। একেক কাজের জন্য একেক জায়গায় যেতে হচ্ছে। একজন বৃদ্ধ মানুষ একা একা এতদূর হাঁটাহাঁটি করবেন কীভাবে? এখানে রোগীদের আরাম তো দূরের কথা, ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড় করিয়ে রেখে তাদের কষ্ট দেওয়া হচ্ছে।” সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালটিতে পর্যাপ্ত জনবল থাকলেও কাজের সঠিক সমন্বয় নেই। ডিজিটাল পদ্ধতির কথা বলা হলেও অধিকাংশ কার্যক্রম এখনো ম্যানুয়ালি সম্পন্ন করতে হচ্ছে। রোগীদের সিরিয়াল দেওয়ার ক্ষেত্রেও সঠিক ব্যবস্থাপনা নেই, যার ফলে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে সবাইকে।
এ বিষয়ে হাসপাতালের দায়িত্বরত একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “রোগীর চাপ বেশি থাকায় মাঝে মাঝে একটু দেরি হয়ে যায়। তবে আমরা চেষ্টা করছি বিষয়টি সুশৃঙ্খল করতে।” তবে সমস্যার স্থায়ী সমাধানে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি। স্থানীয় ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত জনবল বাড়ানো এবং সেবার মান উন্নত করার জোর দাবি জানিয়েছেন। রোগীদের কষ্ট লাঘবে এবং প্রশাসনিক জটিলতা নিরসনে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয়রা


More News Of This Category
bdit.com.bd