• শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
গাজীপুরের জাবান হোটেলের মালিক বাদল টঙ্গী পূর্ব থানায় গ্রে/ফ/তা/র রাশেদ প্রধানের বাসায় হামলার ঘটনায় জামায়াতের নিন্দা সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী দিনদুপুরে মাদ্রাসা ছাত্রীকে অপহরণের ঘটনা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক গাজীপুরে পল্লী বিদ্যুতের ভৌতিক বিল, দিশেহারা গ্রাহক হরমুজ প্রণালি খুলে দিল ইরান, জ্বালানি বাজারে স্বস্তির আভাস পাঁচ বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নিলেন তারেক রহমান হজযাত্রীদের উপহারসামগ্রী পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী হরমুজ ইস্যুতে ৪০ দেশের ভার্চুয়াল বৈঠকের ডাক ১১ নং ওয়ার্ডের উন্নয়ন ও মানবিক সেবার প্রতিশ্রুতি নিয়ে মাঠে সেলিম হোসেন মন্ডল, সকলের দোয়া প্রত্যাশী

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন জাইমা রহমান

ডেক্স রিপোর্ট / ৪১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬

ডেক্স রিপোর্ট

 

 

ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক বিতরণ। অনুষ্ঠানে প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে মরণোত্তর এই পুরস্কার গ্রহণ করেন তাঁর নাতনি জাইমা রহমান।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তিনি এই সম্মাননা গ্রহণ করেন বলে জানা গেছে।

এর আগে বিকেল ৪টার দিকে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শুরু হয় বর্ণাঢ্য এই পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান। মুক্তিযুদ্ধে অবদান, জাতীয় উন্নয়ন, শিক্ষা, গবেষণা, সমাজসেবা ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মানিত করতে প্রতিবছরের মতো এবারও এই আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

এ বছরের স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মোট ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, নারী শিক্ষা ও জাতীয় উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তরভাবে এই সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।

পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা আরও একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। মুক্তিযুদ্ধ ক্যাটাগরিতে মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সাবেক সচিব ও বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক জহুরুল করিম, সাহিত্যে আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র উপস্থাপক এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত), সংগীতে বিশিষ্ট শিল্পী বশীর আহমেদ (মরণোত্তর), ক্রীড়ায় টেবিল টেনিস কিংবদন্তি জোবেরা রহমান (লিনু) এবং সমাজসেবায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর) রয়েছেন।

এছাড়া জনপ্রশাসনে অবদান রাখায় কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও চ্যানেল আইয়ের পরিচালক আবদুল মুকিত মজুমদার বাবু এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা। এগুলো হলো-মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চিকিৎসা ক্ষেত্রে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), সমাজসেবায় এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের ইতিহাসে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধসহ জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবেই এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। এটি দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা হিসেবে বিবেচিত, যা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের অবদানকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়।


More News Of This Category
bdit.com.bd