• সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত গাজীপুরের কাশেমপুরে শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ না করে নোটিশ টানিয়ে ফ্যাক্টরির গেটে তালা। মতিঝিলে দিনে-দুপুরে ব্যবসায়ীর ১৭ লাখ টাকা ছিনতাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবির নতুন সভাপতি তামিম ইকবাল আ. লীগের অপকর্মের বৈধতাদানকারী সাংবাদিকেরা আইনের ঊর্ধ্বে নয়: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ধানমন্ডির জলাবদ্ধতা নিরসনে ৩৫০ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে: মন্ত্রী রবিউল আজ শুরু হচ্ছে সংসদের বাজেট অধিবেশন গাজীপুরে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণভান্ডারের খাদ্যশস্য বিতরণ ও উদ্বোধন  চলছে বিসিবি নির্বাচন, ভোট দিয়েছেন তামিম রামিসার রায় শোনার অপেক্ষায় ছিল গোটা দেশ, মৃত্যুদণ্ডে সন্তোষ

আ. লীগের অপকর্মের বৈধতাদানকারী সাংবাদিকেরা আইনের ঊর্ধ্বে নয়: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট / ২৫ Time View
Update : রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট

 

বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলের গুম, খুন, ভোট চুরি ও গণহত্যার বৈধতাদানকারী সাংবাদিকরা আইনের ঊর্ধ্বে নয় বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা থাকলেও যারা গণতন্ত্র ধূলিসাৎ করার কাজ করবে, তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রোববার (৭ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনে সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।  স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

অধিবেশনে ফ্লোর নিয়ে সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বিগত ১৭ বছরের গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা অবশ্যই প্রয়োজন। বিগত ১৭ বছরের বৈরী পরিবেশেও অনেক পেশাদার সাংবাদিক নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো- আওয়ামী লীগের সময়ে যেসব নামধারী সাংবাদিক গুম, খুন, ভোট চুরি, ব্যাংক ডাকাতি ও গণহত্যার বৈধতা দিয়েছেন এবং এগুলোর পক্ষে সম্মতি উৎপাদন (ম্যানুফ্যাকচারিং কনসেন্ট) করেছেন, তাদের বিষয়ে সরকার কী ভাবছে?

আওয়ামী লীগ আমলের সুবিধাভোগী গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের পুনর্বাসন করা হচ্ছে অভিযোগ করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আজকে যারা সরকার দলে আছেন, বিশেষ করে বিএনপির সর্বোচ্চ নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে এই সাংবাদিকরা বিভিন্ন সময় দেশদ্রোহী ও ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। বসুন্ধরা গ্রুপের ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়াসহ কয়েকটি গণমাধ্যম বিএনপি-জামায়াত নেতাদের হত্যার পক্ষে সম্মতি উৎপাদন করেছে। দুঃখজনকভাবে সেই নামধারী সাংবাদিকদের বর্তমানে বিভিন্ন হাউজে পুনর্বাসন করা হচ্ছে। অন্যদিকে জুলাই অভ্যুত্থানের পক্ষের সাংবাদিকদের এখন টিভি চ্যানেল থেকে বের করে দেয়া হচ্ছে।

সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, সময় টিভি দখল করা হয়েছে। শনিবার নোয়াখালীতে মাইকে ঘোষণা দিয়ে ছাত্রলীগ যে ছাত্রদলকে পিটিয়েছে, সেটি ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া ও কিছু টকশো-জীবীকে উদযাপন করতে দেখা গেছে। এসব গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সরকার আদৌ কোনো আইনি ব্যবস্থা নিয়েছে কি না বা কী ব্যবস্থা নিচ্ছে, তা আমি মাননীয় মন্ত্রীর কাছে জানতে চাই।

হাসনাত আবদুল্লাহর একাধিক বিষয় যুক্ত করা দীর্ঘ প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী কিছুটা রসিকতার ছলে বলেন, বিরোধীদলীয় মাননীয় সংসদ সদস্য একটি প্রশ্ন করলেন, নাকি কয়টি প্রশ্ন করলেন- আমরা সেই ট্র্যাকটা হারিয়ে ফেলেছি।

পরে প্রতিমন্ত্রী মূল জবাব দিতে গিয়ে বলেন, আমরা একটি কথা স্পষ্ট বলতে চাই-দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রয়েছে। তবে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, যারা গণতন্ত্র সমুন্নত রাখার বিপক্ষে কাজ করবে, গণতন্ত্র ধূলিসাৎ করবে বা সন্ত্রাসের পক্ষে কাজ করবে, সে যেই হোক, সে আইনের ঊর্ধ্বে নয়।

অপরাধীদের বিষয়ে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অপরাধী সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী বা চাকরিজীবী-যেই হোক না কেন, কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। কেউ আইনের বিপক্ষে কাজ করলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতৃত্বে ও প্রধানমন্ত্রীর অধীনে গঠিত এই সরকার তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।


More News Of This Category
bdit.com.bd