সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের এলাকায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপনের জন্য নানা প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ভোরে বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য হাজারো মানুষ স্মৃতিসৌধে ভিড় করবে। তাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ধোয়া-মোছা, আলোকসজ্জা ও বিভিন্ন সাজসজ্জার কাজ সম্পন্ন হয়ে স্মৃতিসৌধের ১০৮ হেক্টর এলাকা বর্ণিল রূপে সেজেছে। রং-তুলির আঁচড়ে বেদির সংলগ্ন সিঁড়ি এবং লাল-সবুজের আভায় পুরো জাতীয় স্মৃতিসৌধ উজ্জ্বলভাবে সাজানো হয়েছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। তাই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে সবাই ব্যস্ত। কেউ ধোয়া-মোছা করছেন, কেউ ফুল সাজাচ্ছেন, আবার কেউ লেক ও আশেপাশের এলাকা সুন্দরভাবে রূপায়ণ করছেন।
সাভার গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আনোয়ার খান আনু বলেন, “জাতীয় স্মৃতিসৌধের পুরো এলাকা পরিষ্কার করা হয়েছে। রং-তুলির কাজ, ফুলগাছ স্থাপন এবং লেক সংস্কারের পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।”
স্বাধীনতা দিবসে প্রথমে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এরপর সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য স্মৃতিসৌধ খোলা হবে। দিবসটি উদযাপনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে।
ঢাকা জেলা পুলিশের ট্রাফিক উত্তরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম বলেন, “পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সবাই নির্বিঘ্নে স্মৃতিসৌধে আসতে এবং শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন। প্রত্যেকে নিরাপদে নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন।”
২৬ মার্চ শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ। রাত পোহালেই প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হবেন।