শনিবার (১১ জুলাই) রাজধানীর রাওয়া ক্লাবে দি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ দাবি জানান রাওয়া চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আব্দুল হক।
অনুষ্ঠানে তিনি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খানের প্রতি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা দাবি করেন, ‘ভুলক্রমে মেজর হাফিজকে বীরবিক্রম খেতাব দেওয়া হয়েছিল, যদিও বীরউত্তম খেতাব দেওয়ার জন্য উনাকে নির্বাচন করা হয়েছিল।’
এ সময় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান বলেন, ‘যারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী ছিলেন, তাদের জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে এগিয়ে এসে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।’
একই অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ‘১৯৭১ ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট যদি বিদ্রোহ না করতো তাহলে বাংলাদেশ এখনও পাকিস্তানই থাকত। রাজনীতিবিদরা স্বাধীনতার কথা চিন্তাও করেননি। তাজউদ্দীন আহমদ বলার পরও শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি। স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন জিয়ার রহমান। যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট। অথচ বলা হয়েছে ৭ মার্চের একটি ভাষণের ফলে মানুষ যুদ্ধে গেছে।’