• শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০২:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সবুজ ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর কারামুক্ত আইভীর বাড়িতে কড়া নজরদারি, বসানো হয়েছে সিসিটিভি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বন্ধ কলকারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত যুবদলের নতুন কমিটিতে বড় দায়িত্বে রবিউল ইসলাম নয়ন জামিন পেয়ে সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ আইভীর দেশে বিশ্বকাপ ফুটবলের সম্প্রচার করতে পারে বিটিভি কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন সেলিনা হায়াৎ আইভী কালিয়াকৈর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম সিকদার, মনোনয়ন পেলে বিজয়ের প্রত্যাশা ভোটারদের কমলো ১২ কেজি এলপি গ্যাসের দাম মালয়েশিয়া দিয়েই শুরু হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর

সবুজ ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক : / ২৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক  

বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, সমন্বিত উদ্যোগ, পরিবেশ সচেতনতা এবং দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে একটি সবুজ, নিরাপদ, বাসযোগ্য ও জলবায়ু-সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান অভিঘাত আজ বিশ্ববাসীর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা। এই প্রেক্ষাপটে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উদযাপন বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) ঘোষিত এ বছরের প্রতিপাদ্য “Climate Action” বৈশ্বিক জলবায়ু উদ্যোগকে আরও বেগবান করার আহ্বান জানিয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে জলবায়ু সংকট সমগ্র মানবজাতির জন্য অন্যতম বড় বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, তাপদাহ, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, আকস্মিক বন্যা, খরা এবং জীববৈচিত্র্যের অবক্ষয় বিশ্বজুড়ে পরিবেশ, অর্থনীতি ও মানুষের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলছে।

পোস্টে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে খুবই সামান্য অবদান রাখলেও ভৌগোলিক অবস্থান, উচ্চ জনঘনত্ব এবং জলবায়ু-সংবেদনশীল অর্থনীতির কারণে বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। Climate Risk Index 2026 অনুযায়ী বাংলাদেশ উচ্চ জলবায়ু ঝুঁকির সম্মুখীন। লবণাক্ততা বৃদ্ধি, কৃষি উৎপাদন হ্রাস, জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুতি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্রমবর্ধমান তীব্রতা দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি জানান, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশ ইতোমধ্যে জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (NAP) ও জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (NDC) বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি সমন্বিত ও দূরদর্শী নীতি কাঠামো অনুসরণ করছে। পাশাপাশি উপকূলীয় সুরক্ষা, সামাজিক বনায়ন, দুর্যোগ প্রস্তুতি, জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন এবং প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধানকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের কাজ শুরু হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় কৃষিকে টেকসই, আধুনিক ও জলবায়ু-সহিষ্ণু ভিত্তিতে পুনর্গঠনের জন্য সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ জরুরি। এ ক্ষেত্রে গবেষণা, উদ্ভাবন, প্রশিক্ষণ ও সম্প্রসারণ কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ, সবুজ শিল্পায়ন, পরিবেশবান্ধব নগরায়ণ, উন্নত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, গণপরিবহন উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার জোরদার করার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে কার্বন ক্রেডিট ও বৈশ্বিক কার্বন মার্কেটের সম্ভাবনা কাজে লাগাতেও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

 


More News Of This Category
bdit.com.bd