• শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৪:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গাজীপুরে গড়ে উঠা টর্চার সেল নিয়ে এমপির গুরুতর অভিযোগ! গাজীপুর চান্দনা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সভাপতি মনোনীত হওয়ায় এম পি  মজিবুর রহমানকে বাসন থানা বিএনপির শুভেচ্ছা গাজীপুর শ্রীপুরে ৪৬ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার মহররমের চাঁদ দেখা গেছে, জানা গেল পবিত্র আশুরার তারিখ প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, পদ হারালেন ছাত্রদল নেতা এক লাখ ইয়াবা হাতিয়ে বাহককে ছেড়ে দেন ওসি রাজধানীর বাস টার্মিনাল সরাতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ গাজীপুরের আমবাগ এলাকায় অবৈধ অনুমোদনহীন কারখানায় হুইল পাউডার ও ভীম সাবান তৈরি সন্ধান মেলেছে। টঙ্গীতে ১০ হাজার পিস ইয়াবা ও নগদ ৫৮ লাখ টাকাসহ গ্রেফতার ২ তিন ফৌজদারি মামলায় মমতাজের জামিন

রামপুরায় কাইল্যা পলাশকে গুলি

ডেস্ক রিপোর্ট / ৩৭ Time View
Update : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট

রাজধানীর রামপুরায় শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিন খান ওরফে পলাশ ওরফে কাইল্যা পলাশ ওরফে কালা পলাশ গুলিবিদ্ধ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে রামপুরা এলাকায় তিনি গুলিবিদ্ধ হন বলে ঘটনাস্থল থেকে জানিয়েছেন গাজিপুর বার্তা  প্রতিবেদক রাজু হাসানকে ।

পুলিশ জানিয়েছে, অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা গুলি করেছে।

কারাবন্দি অবস্থায় সন্তান জন্ম দেয়াসহ মুঠোফোনে চাঁদাবাজি, খুন, মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসীদল নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বহুবার আলোচনায় আসা এই শীর্ষ সন্ত্রাসীর নাম শুনলেই আতকে ওঠেন ঢাকার রামপুরা ও আশপাশ এলাকার মানুষ।

দীর্ঘ ২২ বছর ধরে কারাগারে থাকা যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এ শীর্ষ সন্ত্রাসী মে মাসের প্রথম সপ্তাহে কারামুক্ত হয়েছেন। বিষয়টি এতটা নীরবে ঘটেছে যে- কারাগার ও আদালত পাড়ায় কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীরাও টের পাননি।

গোয়েন্দা নথিতে পলাশের বিরুদ্ধে এমনও অভিযোগ রয়েছে যে, পলাশ হাতকড়া পরা অবস্থায় এলাকায় এসে গুলি চালিয়েছেন।

২০০২ সালের ২৯ মে রামপুরায় যুবদলের নেতা মিজানকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  এ মামলায় ২০০৩ সালে গ্রেপ্তার হন পলাশ। পরবর্তিতে বিচারিক আদালত মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।  উচ্চ আদালত সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।  গত ২২ বছরে বিভিন্ন কারাগারে ২৩ বারের বেশি স্থানান্তর করা হয় তাকে।

এর মধ্যেই ২০১২ সালের অক্টোবর মাসে পলাশের স্ত্রী মাহমুদা মুন্সিগঞ্জ হাসপাতালে জন্ম দেন এক কন্যা সন্তানের।  তার বয়স এখন ১২ বছর। মাহমুদা তখন এ প্রতিবেদককে বলেছিলেন, কারাগার থেকে আদালতে হাজিরা দিয়ে ফেরার পথে রামপুরার বাসায় দেখা করে যেতেন পলাশ। কখনো কয়েক ঘণ্টা, কখনো সারা দিন পরিবারের সঙ্গে থাকেন।  প্রিজন ভ্যানে নয়, আসা-যাওয়া করতেন মাইক্রোবাসে করেই।  বাড়ির বাইরে পাহারা দিত পুলিশ।

এ ঘটনা ফাঁস হলে তোলপাড় হয় সরকারের শীর্ষপর্যায়ে।  শুরু হয় তদন্ত।  স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওই দণ্ডিত অপরাধীকে আদালতে আনা-নেওয়ার সঙ্গে যুক্ত ৩০৫ জন কারা ও পুলিশ সদস্যের সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয়।

গোয়েন্দা নথি বলছে, দেশের যে কারাগারেই পলাশকে পাঠানো হতো- তিনি তদবির করে ঢাকা বা আশপাশে চলে আসতেন।  কারাগারের একটি সিন্ডিকেটকে প্রতিদিন লক্ষাধিক টাকা দিতেন তিনি, যা চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসার মাধ্যমে অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ।  বিনিময়ে কারাগারে মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট, এসি, ফ্রিস, টেলিভিশনসহ সব ধরনের বিলাসি সুযোগসুবিধা গ্রহণ করতেন হরহামেশা।

রামপুরা থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে বলেছিলেন, এলাকার ভুক্তভোগী লোকজন বিভিন্ন সময় অভিযোগ করেন, পলাশ ও তুষারের (পলাশের বোনের ছেলে, বর্তমানে কারাগারে) নামে তাদের কাছে চাঁদা চাওয়া হচ্ছে।  রেকর্ড বিশ্লেষণ করে কারাগারে থেকেও অনেক সিম ব্যবহারের তথ্য পেয়েছে পুলিশ। পলাশের বিরুদ্ধে এমনও অভিযোগ রয়েছে, তিনি হাতকড়া পরা অবস্থায় এলাকায় এসে গুলি চালিয়েছেন।


More News Of This Category
bdit.com.bd