রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল সাড়ে ৭টায় এই জামাতে দেশ-বিদেশের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
ঈদের প্রধান জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমসহ মন্ত্রিসভার সদস্য, রাজনীতিবিদ, সরকারি কর্মকর্তা ও সাধারণ মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা মোহাম্মাদ মালেক। নামাজ শেষে তিনি খুতবা প্রদান করেন। এরপর সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে অনুষ্ঠিত হয় মোনাজাত।
মোনাজাতে দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে নির্যাতনের শিকার মুসলমানদের নিরাপত্তা ও মুক্তির জন্য দোয়া করা হয়। একই সঙ্গে ঈদুল আজহার ত্যাগ, সংযম ও মানবিকতার শিক্ষা ব্যক্তি ও সমাজজীবনে প্রতিফলিত হওয়ার তাওফিক প্রার্থনা করা হয়।
ঈদের জামাতকে ঘিরে ভোর থেকেই জাতীয় ঈদগাহ এলাকায় ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। সকাল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে দলে দলে মুসল্লিরা ঈদগাহে আসতে শুরু করেন। কেউ পরিবার নিয়ে, কেউবা বন্ধু বা সহকর্মীদের সঙ্গে অংশ নেন এই জামাতে। নির্ধারিত ফটক দিয়ে নিরাপত্তা তল্লাশি শেষে মুসল্লিদের মাঠে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়।
এবার জাতীয় ঈদগাহের মূল প্যান্ডেলে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির একসঙ্গে নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়। রাষ্ট্রীয় অতিথি, সাধারণ মুসল্লি ও নারীদের জন্য আলাদা প্রবেশ ও বসার ব্যবস্থা রাখা হয়। পাশাপাশি অজু, সুপেয় পানি, শৌচাগার ও প্রাথমিক চিকিৎসাসহ বিভিন্ন সুবিধা নিশ্চিত করা হয়।
নামাজ শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ উপস্থিত মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পুরো ঈদগাহ এলাকা ও আশপাশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল।