গাজীপুরের নাওজোড়ে জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে নূর মোহাম্মদে ও তার ছেলে মোঃহাসিবুল হাসান রিফাতের বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে গাজীপুর মহানগর বাসন থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন ২ জনকে আসামী করে মোছাম্মৎ নার্গিস আক্তার (৬০) পিতা আব্দুস সাত্তার সরকার তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেছেন ১ নং আসামি নূর মোহাম্মদ (৬২)পিতা মৃত হাসেম আলী দীর্ঘদিন যাবৎ মোসাঃ নার্গিস আক্তারের ছেলে মৃত নাহিদ সরকার ওরফে মিল্টন সরকারের ক্রয়কৃত ৫ শতাংশ জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে আসিতেছে অতঃপর এই জমি দখলের ধারাবাহিকতা সাপেক্ষে গত ২০-১২-২০২৫ ইং সকাল আনুমানিক ১১.০০ ঘটিকায় উভয় পক্ষ
মজলিসে বসে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে জমির মালিকানা বিরোধ
জন্য নিষ্পতির জন্য উক্ত সালিশীতে নূর মোহাম্মদ জমির মালিকানা কিছু কাগজপত্র দেখাতে না পেরে শালিশী থেকে উঠে চলে যায় শালিসি না মেনে।
এরপর ঐ দিন ২০/১২/২৫ ইং দুপুর আনুমানিক ২.৩০ মিঃ মৃত নাহিদ সরকার ওরফে মিলটন সরকারের ক্রয়কৃত ভোগদখলকৃত ৫ শতাংশ জমিতে রোপনকৃত কলাবাগান কেটে জমি দখলের পায়তারা করিতেছে এ মর্মে মোসাম্মৎ নার্গিস আক্তার থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন অভিযোগে উল্লেখ করেছেন উক্ত দখলের কাজে অভিযোগে দায়েরকৃত ২ নং আসামি হাসিবুল হাসান রিফাত তাকে সহযোগিতা করেছে।
এ ব্যাপারে আমরা মিডিয়াকর্মীরা নূর মোহাম্মদ ও তার ছেলে হাসিবুল হাসান রিফাতের সাথে কথা বলি তাদেরকে মৃত নাহিদ সরকার ওরফে মিলটন জায়গা জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করিলে তারা বলে হ্যা মিল্টন সরকার এখানে ৫ শতাংশ জায়গা ক্রয় করেছে এবং পাবে আমরা যে কলাবাগান কেটেছি এখানে নয় অন্য জায়গায় এটা আমাদের ক্রয়কৃত সম্পত্তি।
তখন আমরা মিডিয়াকর্মীরা উক্ত বিরোধকৃত সম্পত্তির মালিকানার মূল রহস্য জানতে উভয় পক্ষের ক্রয়কৃত সম্পত্তি যাদের কাছ থেকে ক্রয় করেছে তাদের সাথে কথা বলি। মৃত নাহিদ সরকার ওরফে মিল্টন এবং নূর মোহাম্মদ জায়গা ক্রয় করেছে মৃত আলী আহমদ ও তার বোনদের ওয়ারিশান সম্পত্তি থেকে উক্র জমির বর্তমান ওয়ারিশ মোঃ রাশেদ ও তার বোনদের জিজ্ঞাসা করলে তারা জানায় এই যে কলাবাগান কাটা হয়েছে এটা মৃত নাহিদ সরকার ওরফে মিল্টনের ভোগদখলকৃত সম্পত্তি আমরা তখন জিজ্ঞাসা করলাম তাহলে নূর মোহাম্মদের সম্পত্তি কোথায় তারা বলল উনি আমাদের ফুফুর কাছ থেকে জায়গা ক্রয় করেছে তার জমি এখানে নয় অন্য জায়গায় এবং সে সেই জায়গা নূর মোহাম্মদ দখল করে খাচ্ছে, আমরা বিবাদী নূর মোহাম্মদ ও তার ছেলে হাসিবুল হাসান রিফাতের কাছ থেকে জানতে পারি উক্ত জায়গা সম্পত্তির বিষয়টা সিটি কর্পোরেশনের সার্ভেয়ার শফিকুল ইসলাম জানে তারপর আমরা মুঠোফোনে মোঃ শফিকুল ইসলামের সাথে কথা বলি মোঃ শফিকুল ইসলাম আমাদের জানান সকলের জায়গা সম্পত্তি সঠিক পরিমাণেই আছে তবে তা বন্টননামা এবং ভোগদখলে ঝামেলা থাকার কারণে এই বিরোধের সৃষ্টি হযেছে।