• রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০৪:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নাফ নদে ইয়াবা ছিনতাই, গোলাগুলি জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসী দুঃসাহসের পেছনে কারা, তদন্তে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাজীপুরের কাশিমপুরে ঈদ আনন্দ উদযাপন করতে গিয়ে নদীতে পরে নিখোঁজ একজন। চাঁদা না দেওয়ায় বাড়ি দখলের হুমকি সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার তামাক ও নিকোটিনের ক্ষতি থেকে নতুন প্রজন্মকে রক্ষায় সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী জিয়াউর রহমানের আদর্শে দেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান – ড. ইশরাক আহমদ সিদ্দিকী জিয়াউর রহমানের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন গাজীপুরে ৭ রাউন্ড গুলিসহ দুটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার ছয় দিনে যমুনা সেতুতে টোল আদায় ছাড়াল ২০ কোটি ঈদের দিনে নৃশংসতা, ছেলের হাতে খুন মা

জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসী দুঃসাহসের পেছনে কারা, তদন্তে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রাম প্রতিনিধ / ২১ Time View
Update : রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি   

 

 

রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে র‍্যাবের নির্মাণাধীন ক্যাম্প বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলার মতো এই দুঃসাহস সন্ত্রাসীরা কীভাবে পেল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং এর পেছনে থাকা ভূমিদস্যু ও মূল ইন্ধনদাতাদের চিহ্নিত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

রোববার (৩১ মে) সকালে চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, জঙ্গল সলিমপুরে সিসিটিভি ক্যামেরা ও বিভিন্ন পাহারা বসিয়ে সন্ত্রাসীরা যে সমান্তরাল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা তৈরি করেছিল, তা যৌথ অভিযানের মাধ্যমে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে তথ্য ফাঁসের কারণে অভিযানের মূল লক্ষ্যমাত্রা শতভাগ অর্জন করা সম্ভব হয়নি।

তিনি বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের পাশাপাশি অপরাধপ্রবণ বেতুয়া ও চা-বাগান এলাকা থেকেও সন্ত্রাসীদের চিরতরে নির্মূল করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, বিগত ১৭ বছরের দুর্বৃত্তায়নের রাজনীতি বা রাজনীতির দুর্বৃত্তায়নের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের ভেতরে এক ধরনের ‘দুর্বৃত্তের রাষ্ট্র’ গড়ে তোলার চেষ্টা হয়েছিল, যার একটি প্রত্যক্ষ নমুনা হচ্ছে এই জঙ্গল সলিমপুর। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই চট্টগ্রামে কিছু সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড লক্ষ্য করা যায়। কিছু ব্যবসায়ীর বাসভবনে অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে গুলি বর্ষণ এবং চাঁদা আদায়ের মতো ঘটনা ঘটার পর সরকার বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেয়। অপরাধীদের অবদমন করতে গত ৯ মার্চ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি সমন্বিত যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দেশে ‘আইনের শাসন’ প্রতিষ্ঠা করতে গণমাধ্যমকর্মীসহ সর্বস্তরের জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন মন্ত্রী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রামের সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বিপিএমসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


More News Of This Category
bdit.com.bd