• বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন

গাজীপুর–১ আসনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে চার প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের আবেদন

সাব্বির হোসেন, গাজীপুর প্রতিনিধ / ৭৬১ Time View
Update : রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

সাব্বির হোসেন, গাজীপুর প্রতিনিধি :

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬ উপলক্ষে গাজীপুর–১ সংসদীয় আসনে চারজন প্রার্থীর বিরুদ্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের প্রার্থিতা বাতিলের দাবিতে শনিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) dhcjcV রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন গণফ্রন্ট মনোনীত মাছ প্রতীকের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতিকুল ইসলাম। রিটার্নিং অফিসার বরাবর দাখিল করা অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত প্রার্থীরা নির্বাচনি প্রচারণা শুরুর নির্ধারিত সময়ের আগে ভোট চাওয়া, অনুমোদনহীন পোস্টারিং এবং গণপরিবহনে প্রচারণার মাধ্যমে আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। অভিযোগে যাঁদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁরা হলেন— বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মো. মজিবুর রহমান (ধানের শীষ), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. শাহ্‌ আলম বকশী (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী রুহুল আমীন (হাতপাখা), এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইমারাত হোসেইন খান (মোটরসাইকেল)। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, বিএনপি প্রার্থী মো. মজিবুর রহমান নির্বাচনি প্রচারণা শুরুর আগেই গত ২০ জানুয়ারি গাজীপুর–১ আসনের চান্দনা চৌরাস্তার সাগর সৈকত কনভেনশন হলে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৯৩তম জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন। তবে অভিযোগকারীর দাবি, ওই আয়োজনটি মূলত একটি নির্বাচনি জনসভায় রূপ নেয় এবং সেখানে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চাওয়া হয়, যা জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালার সরাসরি লঙ্ঘন। এ ছাড়া অভিযোগে বলা হয়, চারজন প্রার্থীই গাজীপুর–১ আসনের বিভিন্ন এলাকায় দেয়াল ও স্থাপনায় এবং আসনের মধ্যে চলাচলকারী গণপরিবহনে রঙিন পোস্টার সাঁটিয়ে প্রচারণা চালিয়েছেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী এ ধরনের পোস্টারিং নিষিদ্ধ হলেও এখনো বিভিন্ন স্থানে এসব পোস্টার দৃশ্যমান রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে আবেদনকারী আতিকুল ইসলাম বলেন, “নির্বাচন কমিশন ঘোষিত আচরণ বিধিমালা সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। কিন্তু গাজীপুর–১ আসনে কয়েকজন প্রার্থী প্রকাশ্যেই বিধিমালা লঙ্ঘন করেছেন। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।” তিনি আরও বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী এসব লঙ্ঘনের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের প্রার্থিতা বাতিলের বিধান রয়েছে। সে কারণেই তিনি রিটার্নিং অফিসারের কাছে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন।অভিযোগের সঙ্গে বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও প্রমাণ সংযুক্ত করা হয়েছে। এসব প্রমাণ নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত অভিযোগ গ্রহণ প্রক্রিয়ার আওতায় দাখিল করা হয়েছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রার্থীদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের কারও মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এদিকে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর তা যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে নির্বাচন আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।


More News Of This Category
bdit.com.bd