• শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০১:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
দুই সপ্তাহে এলো ১৪ তেলবাহী জাহাজ, জুনে আসবে ১৬টি মালিকের সম্পত্তি বিক্রি করে ডার্ড গ্রুপ ও সিজন্স ড্রেসেস লিঃ এর শ্রমিকদের অবশিষ্ট সকল পাওনাদি পরিশোধের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন তারেক রহমানের আস্থার বৃত্তে এক মার্জিত মুখ আতিকুর রহমান রুমন ডিএনসিসি কোভিড হাসপাতালে হঠাৎ পরিদর্শন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বাসন থানায় অভিযোগ বিয়ের প্রলোভনে সম্পর্ক, নির্যাতন ও জোরপূর্বক অসামাজিক কাজে বাধ্য করার অভিযোগ গাজীপুরের আমবাগ এলাকায় অবৈধ অনুমোদনহীন কারখানায় হুইল পাউডার ও ভীম সাবান তৈরি সন্ধান মেলেছে। ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ১২ শিশুর মৃত্যু প্রধানমন্ত্রী ২২ বছর পর চাঁদপুর যাচ্ছেন কাল মধ্যরাতে রণক্ষেত্র গাজীপুর দুই মাসের মধ্যে চালু হচ্ছে ‘প্রবাসী কার্ড’

গাজীপুর ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক দখল করে চোরাই বালুর রমরমা ব্যবসা

গাজীপুর প্রতিনিধি / ২১৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

গাজীপুর প্রতিনিধি :

 

গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকার নাওজোড়-কড্ডা অংশে গাজীপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়কের এক পাশ দখল করে প্রতিরাতে প্রকাশ্যে গড়ে উঠছে একটি অবৈধ বালুর বাজার। রাত নামলেই মহাসড়কের এক পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে পড়ে বালুবোঝাই ট্রাক, আর ব্যস্ত সড়কটি রূপ নেয় বালু কেনাবেচার আখড়ায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাত গভীর হলেই শুরু হয় বালুর রমরমা কারবার। ট্রাক থেকে বালু নামিয়ে রাস্তার ওপর ও ফুটপাতে স্তূপ করে রাখা হয়। ওজন অনুযায়ী প্রকাশ্যেই চলে বেচাকেনা, যা পরদিন দিনের আলোয় নির্বিঘ্নে বিক্রি করা হয়। পুলিশি তৎপরতার আভাস পেলেই চোরাই বালুর ব্যবসায়ীরা ট্রাক ফেলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। এমন দৃশ্য এখানে নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। গত কয়েক রাত সরেজমিনে দেখা গেছে, রাত ১০টার পর থেকেই মহাসড়কের এক পাশে বালুবোঝাই ট্রাকের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। এতে সড়কের একটি লেন কার্যত অচল হয়ে পড়ে। কোথাও কোথাও ট্রাক থেকে বালু নামিয়ে এমনভাবে রাখা হচ্ছে, যা চলাচলের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। তবে এসব ট্রাকচালক বা শ্রমিকদের কাছে বালু পরিবহনের বৈধ কোনো কাগজপত্র বা চালান পাওয়া যায়নি।স্থানীয় সূত্র জানায়, এই বালু পরিবহন ও বিক্রির পেছনে রয়েছে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক চা দোকানি বলেন, রাতে ওজন করে বালু বেচাকেনা হয়। কাগজপত্র কারও কাছে নেই, আর এসব দেখারও কেউ নেই। অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, নদী রক্ষা কমিশনের নিয়ম উপেক্ষা করে বিভিন্ন নদী থেকে অবৈধভাবে এসব বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। আবার কিছু নির্মাণকাজের জন্য বৈধভাবে আনা বালুর একটি অংশ গোপনে নামিয়ে পরে চোরাই বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন-২০১০ অনুযায়ী অনুমতি ছাড়া নদী, খাল বা সরকারি জমি থেকে বালু উত্তোলন ও পরিবহন দণ্ডনীয় অপরাধ। একই সঙ্গে সরকারি সড়ক দখল করে বালু মজুত ও বেচাকেনা করাও সম্পূর্ণ বেআইনি। অবৈধ এই বালুবাজারের কারণে এলাকার জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। যান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। বিশেষ করে রাতের অন্ধকারে বালুর স্তূপ চোখে না পড়ায় মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার চালকরা পড়ছেন চরম বিপদে। এছাড়া ধুলোবালির কারণে সৃষ্টি হচ্ছে শ্বাসকষ্টসহ নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি। এ বিষয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটনের বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হারুন অর রশিদ জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


More News Of This Category
bdit.com.bd