• শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০১:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
দুই সপ্তাহে এলো ১৪ তেলবাহী জাহাজ, জুনে আসবে ১৬টি মালিকের সম্পত্তি বিক্রি করে ডার্ড গ্রুপ ও সিজন্স ড্রেসেস লিঃ এর শ্রমিকদের অবশিষ্ট সকল পাওনাদি পরিশোধের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন তারেক রহমানের আস্থার বৃত্তে এক মার্জিত মুখ আতিকুর রহমান রুমন ডিএনসিসি কোভিড হাসপাতালে হঠাৎ পরিদর্শন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বাসন থানায় অভিযোগ বিয়ের প্রলোভনে সম্পর্ক, নির্যাতন ও জোরপূর্বক অসামাজিক কাজে বাধ্য করার অভিযোগ গাজীপুরের আমবাগ এলাকায় অবৈধ অনুমোদনহীন কারখানায় হুইল পাউডার ও ভীম সাবান তৈরি সন্ধান মেলেছে। ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ১২ শিশুর মৃত্যু প্রধানমন্ত্রী ২২ বছর পর চাঁদপুর যাচ্ছেন কাল মধ্যরাতে রণক্ষেত্র গাজীপুর দুই মাসের মধ্যে চালু হচ্ছে ‘প্রবাসী কার্ড’

আলাদা সাইবার ইউনিট চায় পুলিশ

ডেক্স রিপোর্ট / ৬০ Time View
Update : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬

ডেক্স রিপোর্ট 

ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল অপরাধ নিয়ন্ত্রণে একটি পৃথক সাইবার ইউনিট গঠনের প্রস্তাব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। আগামী পুলিশ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ প্রস্তাব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়েছে পুলিশ বাহিনী।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানিয়েছে, রোববার (১৯ এপ্রিল) পুলিশ মহাপরিদর্শকের সভাপতিত্বে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপনের জন্য।

পুলিশ বলছে, ব্যাংকসংক্রান্ত আর্থিক অপরাধের পাশাপাশি তরুণী ও মেয়েরা বড় ধরনের সাইবার অপরাধের শিকার হচ্ছেন।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি পাঁচজন কিশোরী ও তরুণীর মধ্যে তিনজন সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন।  কিন্তু সামাজিক মান সম্মানের ভয়ে প্রায় ৮৯ শতাংশ ভুক্তভোগী অভিযোগ করতে চান না। আর যারা অভিযোগ করেন, তাদের মধ্যে ৭২ শতাংশ মামলাই অপর্যাপ্ত প্রমাণের কারণে অমীমাংসিত বা খারিজ হয়ে যায়।

গত পাঁচ বছরে তথ্য ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১২, যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন-২০০৬ ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮-এর অধীনে মোট ৪ হাজার ৭৯৪টি মামলা হয়েছে। কিন্তু পৃথক সাইবার ইউনিট না থাকায় এসব মামলার সঠিক তদন্ত ও নিষ্পত্তি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পুলিশ বলছে, ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সেবা দ্রুত বাড়ায় অপরাধীরা আইসিটি ব্যবহার করে টাকা চুরির সুযোগ পাচ্ছে। অনলাইন বুলিং, নাবালিকাদের ব্যবহার করে পর্ন ছড়ানো, ওয়েবসাইট হ্যাক করে তথ্য চুরি, হুমকি দেওয়া এবং মিথ্যা তথ্য ছড়ানোও বড় সাইবার অপরাধ।

গত কয়েক বছরে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী প্রচারণা বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব অপরাধের সঙ্গে চরিত্রহনন, চাঁদাবাজি ও নানা ধরনের ডিজিটাল প্রতারণাও জড়িত।

সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ শরিয়াত উল্লাহ বলেন, সাইবার অপরাপর অত্যন্ত জটিল অপরাধ, যার জন্য প্রশিক্ষিত কর্মীসহ পৃথক ইউনিট প্রয়োজন। বর্তমানে সাইবার অপরাধ মোকাবেলার প্রধান দায়িত্ব পালন করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।


More News Of This Category
bdit.com.bd