• রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পূবাইলে রিসোর্ট ভাড়া নিয়ে ‘ডিজে পার্টি’র অন্তরালে মাদক বিক্রি, গ্রেফতার ৪ কালিয়াকৈরে সাংবাদিককে গালিগালাজ ও হত্যার হুমকির অভিযোগ তিন দশকের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, গাজীপুর জেলা যুবদলের নেতৃত্বে মাসুদ রানার প্রত্যাশা আওয়ামী দোসরদের গ্রেপ্তারে পুলিশকে পুরস্কৃত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাসনে বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলায় ১০ আসামি গ্রেপ্তার ধানমণ্ডিতে পরপর দুই ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৩ কোনাবাড়ীতে ডেঙ্গুতে গৃহবধূর মৃত্যু, দুই বছরের সন্তান রেখে গেলেন মা পূবাইলে ফাতিমা রাণী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হীরক জয়ন্তী-২০২৬ উদযাপন কাশিমপুরে ঝালমুড়ি বিক্রেতার ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, আহত ২ গাজীপুরে ট্রাক-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ৩

স্ত্রীর কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে দুই সন্তানের মা কে তালাক

মোঃ মাইনুল ইসলাম ইমন / ৪২৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

মোঃ মাইনুল ইসলাম ইমন

মোসাঃ ফুলনেছা বেগম বয়স ৩০ বছর পিতা-মৃত্যু আজমত আলী হাওলাদার মাতা মৃত্যু রাবেয়া বেগম। সাং- মরিচ বুনিয়া, থানা ও জেলা পটুয়াখালী, স্বামী মোঃ রাসেল বয়স ৩২ বছর পিতা – মোঃ সোহরাব হোসেন মাতা রিনা বেগম সর্ব সাং- দলপুরা, থানা হোসেনপুর,জেলা কিশোরগঞ্জ, বর্তমান ঠিকানা- মইরান মতির বাড়ির ভাড়াটিয়া, ওয়ার্ড নং ৩২ থানা- গাছা জেলা- গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন। বিগত আনুমানিক ৯ বছর পূর্বে মোঃ রাসেল সহিত বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে ঘর সংসার করা অবস্থায় আমাদের দাম্পত্য জীবনে দুইটি ছেলে ১ মোঃ রাফি হাসান বয়স ৮ বছর ২ মোঃতথি হাসান বয়স ৪ বছর এখন আমার দু ছেলের দেখার মতো কেহ নেই আমি ছাড়া আমারো মা নেই ও বাবা নেই একটি ভাই সেও পর হয়েগেল আমার স্বামীর কারনে আমার স্বামী ও আমার শশুর মিলে ভাইয়ের কাছ থেকে দু লক্ষ টাকা নিয়েছে আমার শ্বশুর ও আমার স্বামী মিলে আমাদের বাড়িতে গিয়ে মা আমার ছেলে তোমার এখন স্বামী দেখো ও আর কতদিন গার্মেন্টসের মেশিনের সামনে বসে সুতা কাটবে ও এখন নতুন ব্যবসা শুরু করবে এ ব্যবসা তো তোমাদেরই থাকবে তোমাদের সংসারে দুটি ছেলে এদের মানুষ করতে হবে তোমার ভাইয়ের কাছ থেকে ২ লক্ষ টাকা দেও আরো দুজন পার্টনার আছে তিনজন মিলে ব্যবসা করবে সোয়েটারের সাব কন্টেক ফ্যাক্টরি তুমি তো সেলাইয়ের কাজ জানো গার্মেন্টস এর অপারেটর তুমি আমার ছেলের সঙ্গে ফিফটি পারছেন সহযোগিতা করবা এই ভাবে কথা বলে টাকা নেন। ব্যবসা ভালোভাবে চলিতেছে এখন আমার স্বামী কিশোরগঞ্জ ছোয়টার ফ্যাক্টরির মালিক গাছা থানাধীন উওর খাইলকুর সাকিনস্হ বটতলা মসজিদের পাশে কিশোরগঞ্জ সোয়েটার প্রতিষ্ঠান দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করিয়া আসিতেছে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানে আমাকে প্রবেশ করিতে দেয় না এবং আমার সন্তানদের খোঁজ খবর নেয় না। উক্ত বিষয় নিয়ে স্থানীয় ভাবে একাধিকবার বিচার সালিশ হয় উক্ত বিচার সালিশ অমান্য করিয়া আমাকে বিভিন্ন ভাবে অন্যায় অত্যাচার করে ছেলের পরিবার।৩০/৭/২০২৪ তারিখ সকাল আনুমানিক ১০ ঘটিকার সময় বর্ণিত প্রতিষ্ঠানে গেলে আমার শ্বশুর আমার শাশুড়ি আমার দেবর এরা মিলে আমার স্বামীকে কু- পরামর্শ ও আমার শশুর শাশুড়ি দেবরের ইন্দনে আমার স্বামী আমার নিকট তিন লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করে আমি আমার স্বামীর দাবি কৃত টাকা দিতে অপরাগত প্রকাশ করায় সকলে মিলে আমাকে অকথ্য অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে কিল ঘুষি লাথি মুরা মারিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে নিলুফা জখম করে আমাকে প্রতিষ্ঠান হতে বাহির করিয়া দেয় এবং এই বলিয়া হুমকি দেয় আমাকে তালাক দিয়ে মোটা অংকের টাকা যৌতুক নিয়ে আবার বিবাহ করিবে এই বলে হুমকি দেয় বর্তমানে দুটি বাচ্চা নিয়ে আমি চরম হতাশা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছি। আবার কিছু দিন গেলে আমার স্বামী মোঃ রাসেল তার ফ্যামিলির কু- পরামর্শে আমার কাছে তালাকের একটি নোটিশ পাঠায় আমি তালাকের নোটিশ গ্রহন না করে জয়দেবপুর কোর্টে গিয়ে আমি মোসাঃ ফুলনেছা বেগম একটি মামলা দায়ের করি পলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোট ৫ নং আদালত মামলা নাম্বার সিআর ৫৪২৫ মামলা করার পরে সকল আসামি কোটে গিয়ে আপোসের শর্তে যাবিন নেয় এভাবে কোট থেকে একে একে দু’বার আপসের শর্তে যাবিন নেয় তারা আপোষ হচ্ছে না জামিন ওক্যানসেল হচ্ছে না আমিও ন্যায় বিচার পাচ্ছি না কোট আমার মামলাটি একটু নজর দিলে এদের আপোসের শর্তে জামিন বন্ধ করে দিলে আমার মনে হয় আমি একটা সঠিক নেয় বিচার পাব এরা জামিনে আছে বিদায় আমিও আতঙ্কে আছি কখন কি যেন হয় এরা ভালো না এদেরকে দেশের বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে মেম্বার মাস্টার গণ্যমান্য ব্যক্তি সহ গ্রাম থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে এরা খুব ভালো লোক এজন্যই আমি আতঙ্কে আছি।আমার ভাইয়ের পাওনা টাকা স্বামীর কাছে ভাইয়ের পাওনা টাকা চাইলে কথার কাটাকাটি হয় বিদায় আমার শশুর মোঃসোহরাব হোসেন শাশুড়ি মোসাঃরিনা বেগম দেবর মিলে এখন আবার মোটা অংকের যৌতুক দাবি করিয়া আমার উপর শারীরিক ও মানসিক অন্যায় অত্যাচার করে সঠিক ভাবে ভরন পোষন দেয় না। আমার অজান্তে একাটি বিবাহ করে তাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য আমার নিকট থেকে নগদ ২ লক্ষ টাকা নিয়ে পরবর্তীতে পূর্ণরায় আবার সেই মেয়ের কাছে চলে যায়।
স্বামী যদি স্ত্রীর কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নেন, তাহলে এটি যৌতুক হিসাবে বিবেচিত হতে পারে, যা বাংলাদেশে একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী, বিয়েতে সম্পদ বা মূল্যবান জিনিস আদান-প্রদান করা যৌতুক। এই আইনের অধীনে, যৌতুক চাওয়া বা দেওয়া উভয়ই অপরাধ। যদি স্বামী এমনভাবে টাকা নেন যা একটি বড় অঙ্কের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে এটি আইনের চোখে দণ্ডনীয় অপরাধ এবং এর জন্য কঠোর শাস্তি হতে পারে


More News Of This Category
bdit.com.bd