• বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গাজীপুরে দুটি বিদেশি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ বাসনে গড়ে উঠেছে একাধিক চোরাই তেলের দোকান, উঠছে নানা প্রশ্ন রাজধানীতে অপরাধ দমনে কঠোর অভিযানের প্রস্তুতি, আলোচনায় ‘ক্লিন হার্ট’ শ্রীপুরে অপহৃত তরুণ উদ্ধার, ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির মামলায় গ্রেপ্তার ৩ সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গাজীপুর মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল অবৈধভাবে গ্যাস সরবরাহ: দুই ফিলিং স্টেশনকে ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগে কোনাবাড়ীতে এক যুবক গ্রেপ্তার টঙ্গী পশ্চিমে বিশেষ অভিযানে অস্ত্র মামলার দুই আসামি গ্রেপ্তার বাসনে বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৪ গাজীপুর জেলার পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে পুলিশ সুপার এর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মাদক ঠেকাতে ঢাকা-ইসলামাবাদ চুক্তি

ডেস্ক রিপোর্ট / ১০২ Time View
Update : শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট

 

 

ঢাকা ও ইসলামাবাদের মধ্যে মাদকদ্রব্য ও সাইকোট্রপিক পদার্থের অবৈধ পাচার, ব্যবহার এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধ দমনে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে একটি নতুন সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে দুই দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরা নিজ নিজ দেশের পক্ষে এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং পাকিস্তানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন রাজা নাকভি।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল হাসানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান মাদক পাচার প্রতিরোধে তথ্য আদান-প্রদানকে আরও গতিশীল করবে। একই সঙ্গে মাদক সংক্রান্ত অর্থপাচারসহ আন্তঃদেশীয় অপরাধ দমনে দুই দেশের মধ্যে কারিগরি সহযোগিতাও বাড়ানো হবে।

চুক্তির আওতায় মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তি, আন্তর্জাতিক চক্র এবং নতুন পাচার রুট ও কৌশল সম্পর্কে নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করা হবে। প্রয়োজনে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যৌথ গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়া সমন্বিত অভিযান পরিচালনার অংশ হিসেবে ‘কন্ট্রোলড ডেলিভারি অপারেশন’ চালানোর ক্ষেত্রেও দুই দেশ একমত হয়েছে। মাদক চক্র শনাক্ত ও নির্মূলে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

চুক্তিতে আরও বলা হয়েছে, মাদক নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ, পুনঃপ্রশিক্ষণ এবং আধুনিক বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফল বিনিময় করা হবে। পাশাপাশি লুকানো মাদক শনাক্তে ব্যবহৃত আধুনিক প্রযুক্তি, স্ক্যানিং ডিভাইস এবং স্নিফার ডগ ব্যবহারের অভিজ্ঞতাও দুই দেশ ভাগাভাগি করবে।

এই সহযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (DNC) এবং পাকিস্তানের অ্যান্টি নারকোটিকস ফোর্স (ANF) নিয়মিত ও অপারেশনাল তথ্য আদান-প্রদানের ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে কাজ করবে।

দুই পক্ষই চুক্তির আওতায় বিনিময় হওয়া সব তথ্য ও নথির কঠোর গোপনীয়তা বজায় রাখার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। কোনো অবস্থাতেই এসব তথ্য তৃতীয় কোনো পক্ষের সঙ্গে শেয়ার করা যাবে না বলেও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়।

নতুন এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের দিন থেকে আগামী ১০ বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। পরবর্তীতে উভয় দেশের সম্মতির ভিত্তিতে এর মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ থাকবে।

বাংলাদেশ ও পাকিস্তান উভয় দেশই আশা প্রকাশ করেছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে শুধু মাদক পাচার নয়, বরং জনস্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা এবং সীমান্ত নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে।


More News Of This Category
bdit.com.bd