
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী ও নিরাপদ করতে ১০ হাজার নতুন পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, সরকারের লক্ষ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে একটি দক্ষ, আধুনিক ও পেশাদার বাহিনীতে রূপান্তর করা। একই সঙ্গে দুর্নীতি দমন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার বলে উল্লেখ করেন তিনি।
বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, সরকার আগেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে পেশাদার হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছে। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই ১০ হাজার নতুন পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সরকার কোনো ধরনের চরমপন্থা বা উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না। দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এ বিষয়ে কঠোর অবস্থানে থাকবে সরকার।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও দুর্নীতি দমন—দুই ক্ষেত্রেই সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, স্বৈরাচারের সময়ে প্রতিবছর দেশ থেকে প্রায় ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচার করা হয়েছে। এই ধরনের দুর্নীতি যে কোনো উপায়ে নিয়ন্ত্রণে সরকার বদ্ধপরিকর বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাকে সরকারের অন্যতম দায়িত্ব উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একজন কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক কিংবা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী- সবাই দিনশেষে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে চান এবং পরিবার নিয়ে নিরাপদে বসবাস করতে চান। জনগণের সেই প্রত্যাশা পূরণ করতেই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে আরও পেশাদার ও কার্যকর করে তোলা হবে।
সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে সম্মান জানিয়ে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য, যেখানে রাষ্ট্র হবে জবাবদিহিমূলক এবং নাগরিকের জীবন হবে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও সম্ভাবনাময়।