ডেক্স রিপোর্ট :
পল্লবীতে যুবদল নেতা কিবরিয়া হত্যা মামলায় আসামি মোক্তার হোসেন ডিবি হেফাজতে মারা গেছেন। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকালে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে পল্লবী থেকে মোক্তার হোসেন ও তার বড় ছেলেকে হেফাজতে নেয় ডিবি পুলিশ। এরপর সেখানে মোক্তারকে নির্যাতন করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত না থাকার পরও শুধু রাজনৈতিক স্বার্থে তাকে নির্যাতন করা হয়। অপরাধী হলে তদন্ত সাপেক্ষে শাস্তি হবে। কিন্তু ডিবি হেফাজতে মৃত্যু কেন এমন প্রশ্ন তাদের।
তবে গণমাধ্যমের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি দাবি করে, কিবরিয়া হত্যা মামলায় গ্রেফতার ৩ জনের তথ্যের ভিত্তিতেই মোক্তার হোসেনকে ধরা হয়েছিল। আটকের সময় স্থানীয় জনতা তাকে কিলঘুষি মেরে আহত করে। পরে রাতে অসুস্থ বোধ করার তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা শেষে আবারো ডিবিতে ফিরিয়ে আনা হয়। আজ সকালে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনা তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রসঙ্গত গত সোমবার মিরপুরে পল্লবী থানা যুবদলের সদস্য সচিব গোলাম কিবরিয়াকে গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী ৫ জন এজহারনামীয় ও অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরে সুষ্ঠু তদন্তের জন্য মামলাটি ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়।