বিশেষ প্রতিনিধি :মোঃ মাইনুল ইসলাম ইমন
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন আঞ্চলিক কার্যালয় অঞ্চল ৩ গাছা। সিটি কর্পোরেশনের কর্তব্যরত অফিসার মোঃ লুৎফর রহমান কে মুঠো ফোনে ফোন দিয়ে বোর্ড বাজার সিটি কর্পোরেশনের সামনে ময়লা না ফেলতে পারায় ময়লার গাড়িওয়ালা দের আন্দোলন। ও ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছেন এতে করে প্রচুর যানজটের সৃষ্টি হয়। এ বিষয়ে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এ বিষয়ে আমি কোন কথা বলতে পারব না আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলুন আমরা এ বিষয় কিছুই বলতে পারব না আমার চেয়ে তারাই ভালো বলতে পারবেন। আমাদের গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ময়লা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে জানান।
আমরা এ বিষয়ে গাছা থানার ওসি আমিনুল ইসলাম এর সঙ্গে কথা বললে তিনি আমাদেরকে জানিয়েছেন ভাই আমি সাক্ষী তে দিনাজপুর যাচ্ছি। আমি তদন্ত মেহেদীকে বলছি ব্যবস্থা নিবে। গাছা থানার তদন্ত ওসি মোঃ মেহেদী হাসান এর সঙ্গে কথা বল্লে তিনি আমাদেরকে জানিয়েছেন, খবর পেয়ে মোবাইল টিম পাঠিয়েছি, মোবাইল টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।
আমরা এ বিষয়ে আরো খোঁজ খবর নেওয়ার জন্য জিজ্ঞেস করি ময়লা নেওয়ার ভ্যান গাড়ি ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসা করি তারা কার আন্ডারে কাজ করেন। ময়লা নেওয়া ভ্যান চালকগন আমাদেরকে জানান, আমরা মিজান ভাইয়ের আন্ডারে কাজ করি মিজান ভাই ও সিটি কর্পোরেশনের লোকেরা যে জায়গায় ময়লা ফেলতে বলবে আমরা সেই জায়গায় ময়লা নিয়ে ফেলে দিয়ে আসবো। আপনাদের যদি কোন কথা থাকে আপনারা সিটি কর্পোরেশনের লোকদের কাছে জিজ্ঞেস করেন ও মিজান ভাইয়ের কাছে জিজ্ঞাসা করেন। আমারা মিজান ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলে আমরা আরো কিছু জানতে পেরেছি এই ময়লা থেকে মোটা অংকের টাকা উঠে। টাকা ভাগা ভাগি হয় এক অংশ বিএনপি ও এক অংশ জামাত এখন তারা ব্যবস্থা নিচ্ছে না কেন ময়লা কোথায় ফালাবো ময়লার বিষয়ে কথা বলে না কেন। আমাকে জিজ্ঞেস করেন কেন আমি কি সম্পূর্ণ টাকা ভোগ করি। এ টাকা আমি থেকে শুধু করে রাজনৈতিক ব্যক্তি সিটি কর্পোরেশন পর্যন্ত পৌঁছে টাকার ভাগাভাগি হয়। এখন সকলে মিলে উদ্যোগ নিলে সমাধান করা সম্ভব হয়।এছাড়াও আরো কিছু চঞ্চল্যকর কথা বেরিয়ে এসেছে একটি সাধারণ মানুষের কাছ থেকে জানতে পেরেছি নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক শর্তে। এই ময়লা নিয়ে যে ঝামেলা সৃষ্টি হয়েছে সড়ক অবরোধ থেকে শুরু করে সিটি কর্পোরেশন সামনে অবরোধ ময়লার গাড়ি নিয়ে হাইওয়ে সড়ক অবরোধ করে রাখার মূল কারণ গাছা ময়লার নির্ধারিত স্থান চুক্তি নামায় নেওয়া হয়েছিল। তিন বছরের ওই জায়গাটি মুক্তিযোদ্ধার কল্যান ট্রান্স ফ্যান্টের জায়গা।
সিটি কর্পোরেশনের চুক্তি নেওয়া তিন বছরের জন্য ওটা সরকারি কোন নির্ধারিত জায়গা নয়।
ওটা চুক্তি নামায় কেনা ময়লা ফালানোর নির্ধারিত স্থান, এই ময়লা নিয়ে এখন বাণিজ্য তথ্য বেরিয়ে এলো এই ময়লা আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মেয়র জাহাঙ্গীরের সময় এই ময়লার দাম উঠেছিল ১০ কোটি টাকা। এখন আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হওয়ার পরে এই ময়লা সিটি কর্পোরেশন সহ সর্ব দলীয় লোকেরা এই ময়লার দিকে নজর দিচ্ছে কারণ এই ময়লা বিক্রি করিলে দশ কোটি টাকা আসবে। আবার পুনরায় ময়লা ফেলতে পারবে টাকা ভাগাভাগি করে খেয়ে ফেলতে পারবে।
এমন কিছু তথ্য বেরিয়ে এসেছে তা না হয় ১৫ দিন হয়ে গেল এখনো কোনো সমাধানে আসছে না গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের আঞ্চলিক শাখা ৩ গাছা সহ গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন সহ রাজনীতির ব্যক্তিরাও। এই ময়লার সমাধান চায় রাজনীতি ব্যক্তিদের মুখের কথা আমাদের নিয়ে বসলে আমরা সমাধানে যাব এ বিষয়ে আমরা কোন সাড়া পাইনি বিদায় সমাধান ও হচ্ছে না জনসাধারণের দুর্ভোগ কমছে না সমাধানও পাচ্ছে না টাকা নেওয়া কিন্তু বন্ধ হচ্ছে না, প্রতি মাসের টাকা প্রতি মাসে দিতে হবে সমাধান যখন হোক সেটা জানার বিষয় নয়।
কিন্তু গাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেছেন এটা জটিল ব্যাপার সমাধান হওয়া দরকার। তিনি রাজনীতির ব্যক্তির কাছে ফোন দিয়ে বলেছেন আপনারা এটা সমাধান করার চেষ্টা করেন। সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে বসেন এলাকায় অনেক দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে দ্বিতীয়বার যদি কোন কারণবশত ময়লার কোন ব্যক্তি যদি সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেব কোন দ্বিধা দ্বন্দ্ব করিব না।