• বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গাজীপুরে ট্রাক-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ৩ পরিকল্পিত সন্ত্রাসের প্রতিবাদে বাসনে বিএনপির সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল গাজীপুরে রেললাইনের পাশ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার ​​টাকার বিনিময়ে জরিপ করিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় অপপ্রচারের শিকার জমির মালিক কোনাবাড়ী সেটেলমেন্টে দুর্নীতির সাম্রাজ্য : কর্মকর্তা-দালাল ও ক্ষমতাসিল নেতাদের সিন্ডিকেটে জিম্মি সেবাগ্রহীতারা, অনুসন্ধানে গিয়ে বাধা ও ঘুষের প্রস্তাবের মুখে সাংবাদিকরা বকেয়া বেতনের দাবিতে কোনাবাড়ীতে গার্মেন্টস শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ শ্রী শ্রী বিশ্বকর্মা পূজা পরিদর্শন করেন মোঃ রহিম সরকার । সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘মিথ্যা প্রচারণা’, আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা বিএনপি নেতা বাবুলের পূবাইলে আওয়ামী লীগ নেতা অমূল্য চন্দ্র দাস আটক, মুচলেকায় মুক্ত লংমার্চ নিয়ে জিএমপির ফেসবুক পোস্ট, পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

ধর্ষণের অভিযোগের সহযোগিতা করতে গিয়ে হেনস্তা: কোনাবাড়ী থানায় ওসির হাতে লাঞ্ছিত ও সাংবাদিকদের গায়ে হাত

আলমগীর হোসেন, গাজীপুর : / ২৩৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৫

আলমগীর হোসেন, গাজীপুর :

গাজীপুরের কোনাবাড়ী মেট্রো থানায় এক ধর্ষণের ভুক্তভোগীর অভিযোগ নিয়ে গেলে তিন জন সাংবাদিক থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সালাউদ্দিনের অমানবিক আচরণের শিকার হন। শুধু গালি-গালাজেই থেমে থাকেননি ওসি, দুই সাংবাদিক কে শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিতও করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী নারী জানান, সুরুজ নামের এক ব্যক্তি গত সাত থেকে আট মাস ধরে তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। এ ছাড়াও, বিভিন্ন অজুহাতে তার কাছ থেকে প্রায় তিন লক্ষ টাকা আদায় করেন। অবশেষে তিনি বিচার পেতে সাংবাদিকদের সহায়তা চান। ঘটনার প্রেক্ষিতে জাতীয় দৈনিক ঘোষণা পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি মো.শাহিনুর ইসলাম (শাহীন), ঢাকা ডিভিশনের প্রতিনিধি মো.রাসেল পোধানিয়া এবং দৈনিক সময়ের কথা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মফিজুল ইসলাম ভুক্তভোগীকে সঙ্গে নিয়ে থানায় যান। সাংবাদিকরা যখন ভুক্তভোগীর অভিযোগ নিয়ে ওসি সালাউদ্দিনের সঙ্গে আলোচনা করছিলেন, তখন হঠাৎ তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। শুরু হয় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ, এর পরেই তিনি রাসেল ও মফিজুলের গায়ে হাত তোলেন এবং জোরপূর্বক তাদের মোবাইল ফোন ও পরিচয়পত্র কেড়ে নেন। এই অপ্রীতিকর ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। পরে ওসি সালাউদ্দিন ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে কোনাবাড়ী মেট্রো প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ কাসেম খান-কে থানায় ডেকে আনেন এবং তার জিম্মায় সাংবাদিকদের ছেড়ে দেন। তবে সাংবাদিকদের কাছ থেকে জোরপূর্বক মুচলেকা নেওয়া হয়—এই বিষয়ে যেন তারা আর কোনো পদক্ষেপ না নেন বা কারও সঙ্গে আলোচনা না করেন। এই ঘটনায় গাজীপুরের সাংবাদিক মহল এবং সচেতন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, সাংবাদিকদের সঙ্গে যদি এমন আচরণ হয়, তবে সাধারণ মানুষ থানায় গিয়ে কীভাবে ন্যায়বিচার পাবে? এ বিষয়ে প্রশাসনের উচ্চমহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারা দাবি জানিয়েছেন—ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে ওসি সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।


More News Of This Category
bdit.com.bd