
গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী পূর্ব ও টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে ছিনতাই ও ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি চাপাতি, দুটি চাকু, একটি সিএনজি ও ছিনতাই করা এক হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, টঙ্গী পূর্ব থানার একটি দল দত্তপাড়া হোসেন মার্কেটের লেদু মোল্লা রোডের মাথায় ছিনতাই সংঘটনের সময় মোঃ শামীম হোসেন বাবু ওরফে ‘বুক কাটা বাবু’কে (৩৭) গ্রেপ্তার করে। তিনি গাজীপুর মহানগরের এরশাদনগর ২ নম্বর ব্লক এলাকার মোঃ গিয়াস উদ্দিন বেপারীর ছেলে। এ সময় তার কাছ থেকে একটি চাপাতি ও ছিনতাই করা নগদ এক হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের তথ্যমতে, শামীম হোসেন বাবুর বিরুদ্ধে ডাকাতি, হত্যা ও ছিনতাইসহ মোট ১৫টি মামলা রয়েছে।
অন্যদিকে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টঙ্গী পূর্ব থানাধীন গাজীপুর বাঁশপট্টি এলাকায় সিএনজিযোগে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন—আঃ কুদ্দুস ওরফে সুজন ওরফে ইদ্রিস (৪৭), মিলন (৩৬) ও মোঃ মিলন (৩৫)। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি চাকু ও একটি সিএনজি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, আঃ কুদ্দুসের বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলপুর, মিলনের বাড়ি ধোবাউড়া এবং মোঃ মিলনের স্থায়ী ঠিকানা বগুড়া জেলার শাজাহানপুর এলাকায়। এ ঘটনায় টঙ্গী পূর্ব থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এদিকে, টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ প্রতারণার মাধ্যমে এক ব্যক্তিকে আটক করে টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৯ এপ্রিল মোঃ কাউসার মিয়া (৩০) টঙ্গী পশ্চিম থানায় অভিযোগ করেন, রাকিব, মিজানুর রহমানসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুই ব্যক্তি প্রতারণার মাধ্যমে তাকে আটক করে নগদ ২ লাখ ৩ হাজার টাকা ও দুটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। পরে এ ঘটনায় টঙ্গী পশ্চিম থানায় মামলা করা হয়।
মামলার তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মাহমুদ হাসান জনি গত ১১ এপ্রিল টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন খরতৈল সুপার মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার আসামি রাকিব ও মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পৃথক মামলায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।