• রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পূবাইল কলের বাজার ব্যবসায়ী পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ কাদির হোসেন ও সম্পাদক মোসলেম উদ্দিন নির্বাচিত । বাসন তৈয়জউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি তানভীর সিরাজ গাজীপুরে অস্ত্রসহ ৩ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার পূবাইলে রিসোর্ট ভাড়া নিয়ে ‘ডিজে পার্টি’র অন্তরালে মাদক বিক্রি, গ্রেফতার ৪ কালিয়াকৈরে সাংবাদিককে গালিগালাজ ও হত্যার হুমকির অভিযোগ তিন দশকের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, গাজীপুর জেলা যুবদলের নেতৃত্বে মাসুদ রানার প্রত্যাশা আওয়ামী দোসরদের গ্রেপ্তারে পুলিশকে পুরস্কৃত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাসনে বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলায় ১০ আসামি গ্রেপ্তার ধানমণ্ডিতে পরপর দুই ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৩ কোনাবাড়ীতে ডেঙ্গুতে গৃহবধূর মৃত্যু, দুই বছরের সন্তান রেখে গেলেন মা

গাজীপুরে হঠাৎ ২ কারখানা স্থায়ী বন্ধ: চরম অনিশ্চয়তায় ১৮০০ শ্রমিক

নিজস্ব প্রতিবেদক : / ১৪৯ Time View
Update : বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :

​

আর্থিক সংকটসহ নানাবিধ সমস্যার কারণ দেখিয়ে গাজীপুরের বোর্ডবাজার এলাকার পোশাক কারখানা ‘ইউনিক ডিজাইনার্স’ এবং ‘ইউনিক ওয়াশিং লিমিটেড’ স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই হঠাৎ করে কারখানা দুটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এক নিমেষেই কর্মহীন হয়ে পড়েছেন প্রায় ১ হাজার ৮০০ শ্রমিক। দীর্ঘদিনের চেনা কর্মস্থল হারিয়ে চরম উদ্বেগ, হতাশা আর গভীর অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর।
​আকস্মিক নোটিশে মাথায় আকাশ ভেঙেছে শ্রমিকদের
​স্থানীয় ও কারখানা সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতোই শ্রমিকরা কর্মস্থলে এসে কারখানার প্রধান ফটকে স্থায়ী বন্ধের নোটিশ দেখতে পান। নোটিশে আর্থিক লোকসান ও কাঁচামালের সংকটসহ বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ সমস্যার কথা উল্লেখ করেছে কর্তৃপক্ষ।
​হঠাৎ এই সিদ্ধান্তে হতবাক সাধারণ শ্রমিকরা। কোনো আগাম আভাস না দিয়ে এভাবে রুটি-রুজির পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন অনেকেই। চাকরি হারিয়ে এখন কীভাবে বাসা ভাড়া দেবেন, পরিবারের মুখে অন্ন জোগাবেন—তা নিয়ে চোখে অন্ধকার দেখছেন শত শত শ্রমিক।
​
“কোনো নোটিশ না দিয়া এক্কেবারে কারখানা বন্ধ কইরা দিল! এখন এই মাসের ঘর ভাড়া দিমু ক্যামনে, পোলাপানের মুখে খাবার দিমু ক্যামনে? হুট করে এই বিপদে আমাগো পাশে দাঁড়ানোর কেউ নাই।”
​সংকটের মুখে ১৮০০ পরিবার
​তৈরি পোশাক খাতের এই মন্দা পরিস্থিতিতে নতুন করে অন্য কোথাও চাকরি পাওয়াও এই মুহূর্তে শ্রমিকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, একসাথে এত বিপুল সংখ্যক শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়ায় স্থানীয় অর্থনীতিতেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বকেয়া বেতন-ভাতা এবং আইনি পাওনাদি নিয়ম অনুযায়ী বুঝিয়ে দেওয়া হবে কিনা, তা নিয়েও শ্রমিকদের মনে তীব্র সংশয় দেখা দিয়েছে।
​
​শ্রমিক নেতারা এই আকস্মিক বন্ধের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তারা বলছেন, শ্রম আইন অমান্য করে শ্রমিকদের এভাবে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অবিলম্বে শ্রমিকদের আইনগত সকল পাওনা এবং ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
​অন্যদিকে, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কারখানা এলাকার সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শিল্প পুলিশ জানিয়েছে, মালিকপক্ষ এবং শ্রমিক প্রতিনিধিদের সাথে কথা বলে বিষয়টি শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের চেষ্টা চলছে।


More News Of This Category
bdit.com.bd