
ঈদুল আজহায় পদ্মা সেতুতে ২১ মে-৩০মে ১০ দিনে ৩ লাখ ১৮ হাজার ৫১৫টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। টোল আদায় হয়েছে ৩৬ কোটি ১১ লাখ ৯৫ হাজার ৯০০ টাকা।
একইসঙ্গে ঈদের ছুটির শেষ কর্মদিবস ২৪মে থেকে ঈদ পরবর্তী ৩০মে পর্যন্ত ৭দিনে পদ্মা সেতুতে ২ লাখ ৩৯ হাজার ২১৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ২৫ কোটি ৭৪ লাখ ৩৮ হাজার ৩০০ টাকা।
রোববার বিকেলে (৩১ মে) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সাইট অফিস থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
তথ্য অনুযায়ী, ঈদের দিনও ২৮মে ২৪ ঘন্টায় ২০ হাজার ৮১৫টি যানবাহন পারাপারে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৫ লাখ ৬৪ হাজার ৪৫০ টাকা। ঈদের পরের দিন ২৯ মে ২৪ ঘন্টায় ২৭ হাজার ৬৪৬টি যানবাহন পারাপারে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৭৭ লাখ ২৬ হাজার ৪০০ টাকা। ঈদের তৃতীয় দিনে শনিবার ৩০মে ২৪ ঘন্টায় ৩০ হাজার ৮৩টি যানবাহন পারাপারে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৮৭ লাখ ৩৯ হাজার ২৫০ টাকা।
এর আগে, ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রার শেষ দিনে ২৭মে পদ্মা সেতুতে ২৪ ঘন্টায় ৩৯ হাজার ৭৯টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এদিন মাওয়া ও জাজিরা প্রান্ত মিলে ক্যাশ, ক্রেডিট ও ইটিসিসহ মোট টোল আদায় হয়েছে ৪ কোটি ৩৬ লাখ ৫১ হাজার ২০০ টাকা। এর আগের দিন ২৬মে ২৪ ঘন্টায় মাওয়া ও জাজিরা প্রান্ত দিয়ে মোট ৪৫ হাজার ৬০২টি যানবাহন পারাপার করা হয়। এতে মোট টোল আদায় হয়েছে ৫ কোটি ৩ লাখ ২৪ হাজার ৪৫০ টাকা। এটি সেতুর চালুর পর থেকে টোল আদায়ে সর্বোচ্চ দ্বিতীয় রেকর্ড গড়ে।
এর আগে ২৫মে ২৪ ঘন্টায় মাওয়া ও জাজিরা প্রান্ত দিয়ে মোট ৪৪ হাজার আটটি যানবাহন পারাপার করা হয়। টোল আদায় হয়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ ১৫ হাজার ৩৫০ টাকা। সেতুর চালুর পর থেকে এদিনও টোল আদায়ে সর্বোচ্চ আরেকটি রেকর্ড গড়ে। ঈদের ছুটির শেষ কর্মদিবসে ২৪মে ২৪ ঘন্টায় মাওয়া ও জাজিরা প্রান্ত দিয়ে মোট ৩১ হাজার ৯৮৫টি যানবাহন পারাপার করা হয়। এতে ক্যাশ, ক্রেডিট ও ইটিসিসহ মোট টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৮৪ লাখ ১৭ হাজার ২০০ টাকা।
সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সায়াদ নিলয় জানান, নির্দেশনা অনুযায়ী আগেভাগেই টোলপ্লাজায় বিভিন্ন প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, জেলা ও স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টায় সার্বক্ষণিক মনিটরিং ছিল। একইসঙ্গে সেতুতে অত্যাধুনিক ক্যাশলেস ‘ডি’ টোল সুবিধা ও দুই প্রান্তে সব মিলিয়ে মোট ১৯টি টোল বুথ সার্বক্ষণিক সচল থাকায় ঈদুল ফিতরের মতো ঈদুল আজহায়ও ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন ও স্বস্তিদায়ক হয়েছে। টোলপ্লাজায় কোনো প্রকার যানজট ছিল না।