• সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বিদ্যুৎ বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদন সিফাতের বিদ্যুৎ বিলে অনিয়ম নেই গাজীপুর বাসনে বিশেষ অভিযানে ইয়াবা ও ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার ২ আসামি  গ্রেপ্তার  কটূক্তির জন্য আটক, সন্ত্রাসবিরোধী পুরোনো মামলায় কারাগারে চেয়ারম্যানের গাড়ি থেকে ১ কোটি টাকা চুরি, ৪৮ ঘণ্টায় উদ্ধার ৯৭ লাখ কালিয়াকৈরে ইতিহাস গড়লেন চৌধুরী ইশরাক আহমদ সিদ্দিকী, একযোগে ৩০ উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধন বাসনে ইয়াবাসহ মাদক মামলার এজাহারভুক্ত আসামি রাবিয়া বেগম রাবু গ্রেপ্তার বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভা বিকেলে, থাকবেন প্রধানমন্ত্রী গাজীপুরে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব তিথি (শুভ জন্মাষ্টমী) উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত । গাজীপুরের ভোগরা বাইপাস সেনাবাহিনীর পরীক্ষা দিতে বেরিয়ে পুলিশের হাতে মারধরের শিকার শিক্ষার্থী ফাহিম ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের ঘোষণা

‎গাজীপুরে গার্মেন্টস শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেফতার ১ ‎

গাজীপুর প্রতিনিধি ‎ / ৩৩০ Time View
Update : রবিবার, ২৯ জুন, ২০২৫

গাজীপুর প্রতিনিধ :

গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ীতে গ্রীনল্যান্ড গার্মেন্টসের ভিতরে হৃদয় (২০) নামে এক ইলেকট্রিক মেকানিককে পিটিয়ে হত্যা করার ঘটনা ঘটেছে। নিহত হৃদয় টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল থানার শুকতারা বাইদ এলাকার বাসিন্দা আবুল কালামের ছেলে। শনিবার (২৮ জুন) দুপুরে কোনাবাড়ী থানাধীন কাশিমপুর রোডে অবস্থিত গ্রীনল্যান্ড গার্মেন্টসের অফিস কক্ষে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিথ্যা চোর অপবাদে ওই গার্মেন্টসের নিরাপত্তা কর্মীরা হৃদয়ের হাত-পা বেঁধে একটি কক্ষে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে। ‎ঘটনার খবর আশপাশের অন্যান্য গার্মেন্টসে ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। প্রায় ৪০০-৫০০ শ্রমিক রাস্তায় নেমে আসে এবং গ্রীনল্যান্ড গার্মেন্টসের সামনে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে হৃদয় হত্যার বিচার দাবি করেন। এসময়ে তারা কয়েক ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ‎হত্যাকাণ্ডের পর কর্তৃপক্ষ গার্মেন্টসের মূল ফটকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের নোটিশ সাঁটিয়ে পালিয়ে যায় বলে জানা যায়।
‎‎ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কোনাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সালাউদ্দিন জানান, আমাদের কাছে খবর আসে একজন চোর ফ্যাক্টরির দেয়াল টপকে ভিতরে আসার সময় ড্রেনে পরে আহত হলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে হাসপাতাল থেকে জানান যে তাকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। তিনি আরো বলেন আমরা একটি মামলার তদন্তে ছিলাম, সেখান আমাদের জিএমপি উত্তর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার উপস্থিত ছিলেন, এসম খবর আসে তারা কয়েক শত শ্রমিক ফ্যাক্টরি ভাংচুর করছে, আমার দ্রুত সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি হয়ে সেনাবাহিনী ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ কে সাথে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। তিনি আরো বলেন হৃদয় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ইতোমধ্যে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং হৃদয় হত্যাকাণ্ডের সাথে বাকি জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


More News Of This Category
bdit.com.bd