• মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজেন্দ্রপুরে বাসের হেলপার নিহতের ঘটনায় আড়াই বছর পর চালক গ্রেপ্তার গাজীপুরে বাংলাদেশ পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা-২০২৬ এর ক্যাম্প প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিতঃ প্রিজন ভ্যান থেকে ‘পিচ্চি রাজা’ পালানোর ঘটনায় এসআইসহ গ্রেপ্তার ৩ গাজীপুরে কাভার্ডভ্যান থেকে ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ মোহাম্মদপুরে আইনজীবীর বাসা থেকে ১৩ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার চুরির অভিযোগ পিচ্চি রাজার পলায়ন: নাওজোড় নয়, তাঁতীবাজার থেকে পালানোর তথ্য, গ্রেপ্তার ২ পুলিশ বাসনে মহাসড়কের পাশে চোরাই তেল কেনাবেচার অভিযোগ, মোরসালিনসহ কয়েকজনের নাম গাজীপুর চৌরাস্তা এলাকায় সাংবাদিককে মারধর করে মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ গাজীপুরে হাসপাতাল থেকে চার বছরের শিশুকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ, দুই ঘণ্টা পর উদ্ধার গাজীপুরে তৈরি পোশাক কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৯ ইউনিট

খুচরা বাজারে ২২০০-২৩০০ টাকা এলপিজি, চাপে সাধারণ ক্রেতা

নিজস্ব প্রতিবেদক : / ১০০ Time View
Update : শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :

গাজীপুরের খুচরা বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে রান্নার অন্যতম প্রধান জ্বালানি হিসেবে এলপিজির ওপর নির্ভরশীল নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ব্যয় বেড়ে গেছে।

স্থানীয় ক্রেতাদের অভিযোগ, এলপিজির নির্ধারিত মূল্য থাকলেও বিভিন্ন দোকানে তার চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি করা হচ্ছে। দোকানভেদে দামের পার্থক্য থাকায় অনেকটা বাধ্য হয়েই বাড়তি টাকা দিয়ে গ্যাস কিনতে হচ্ছে তাদের।

গাজীপুরের কয়েকটি এলাকার ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, একটি এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে বর্তমানে ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে। ফলে মাসিক সংসার খরচের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সীমিত আয়ের পরিবারগুলোকে অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যয় কমিয়ে গ্যাসের খরচ সামাল দিতে হচ্ছে।

একজন ক্রেতা বলেন, “প্রতি মাসেই গ্যাস কিনতে হয়। দাম বাড়ার কারণে সংসারের বাজেটে অতিরিক্ত টাকা রাখতে হচ্ছে। অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের খরচের সঙ্গে এই বাড়তি ব্যয় সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে।”

আরেক ক্রেতা বলেন, “একেক দোকানে একেক দাম বলা হচ্ছে। নির্ধারিত মূল্য কত, সেটিও অনেক সময় পরিষ্কারভাবে জানা যায় না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিয়মিত বাজার তদারকি করলে অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ কমতে পারে।”

খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ, পরিবহন ব্যয় ও স্থানীয় বাজার পরিস্থিতির কারণে বিক্রয়মূল্যে কিছুটা পার্থক্য দেখা দিতে পারে। তবে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ থাকলে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির আওতায় আনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন ক্রেতারা।

ভোক্তাদের দাবি, এলপিজির বাজারে মূল্যতালিকা প্রদর্শন, নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি নিশ্চিত করা এবং অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগের বিষয়ে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হোক।

তাদের মতে, রান্নার জ্বালানি হিসেবে এলপিজির ওপর নির্ভরশীল মানুষের সংখ্যা বাড়ায় এর দামের ওঠানামার সরাসরি প্রভাব পড়ে পারিবারিক বাজেটে। তাই বাজারে নির্ধারিত মূল্য কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত মনিটরিং প্রয়োজন।


More News Of This Category
bdit.com.bd